নকল চাবি দিয়ে ৮ বছরে ৭০০ মোটরসাইকেল চুরি


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: অক্টোবর ২২, ২০২২, ০৩:৫৭ পিএম
নকল চাবি দিয়ে ৮ বছরে ৭০০ মোটরসাইকেল চুরি

ঢাকাঃ রাজধানীতে বিভিন্ন অফিসের সামনে কিংবা আশপাশে যেসব মোটরসাইকেল ও গাড়ি রাখা হয় সেগুলো খেয়াল রেখে নকল চাবি তৈরি করে চুরি করতো একটি চক্র। গত ৮ বছরে রাজধানী থেকে এভাবে ৭০০টি মোটরসাইকেল চুরি করে বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করে চক্রটি। এজন্য গাড়ি কিংবা মোটরসাইকেল অফিসের সামনে রাখলে দারোয়ানকে বলে রাখা অথবা রাস্তায় যেখানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে সেসব জায়গায় মোটরসাইকেল রাখার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) চাঁদপুর, নোয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ জেলায় অভিযান চালিয়ে ১৩টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি গুলশান বিভাগ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. খালেক হাওলাদার ওরফে সাগর আহম্মেদ (৪৮) ও মো. জিসান আহমেদ ওরফে সম্রাট (২২)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৩টি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য মো. খালেককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার খালেকের নামে এ পর্যন্ত ১৫টি মামলা হয়েছে বিভিন্ন থানায়। তিনি গত আট বছরে ৫০০-৭০০ মোটরসাইকেল ঢাকা থেকে চুরি করে চাঁদপুর, নোয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করেছেন। গ্রেপ্তাররা ঢাকার বিভিন্ন এলাকার রাস্তায় পার্কিংয়ে থাকা মোটরসাইকেল কৌশলে মাস্টার চাবি দিয়ে খুলে নিয়ে যায়।

ডিবি প্রধান বলেন, আমাদের অনুরোধ, যারা মোটরসাইকেল চালান তারা যেন মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের সময় একটু লোকালয় দেখে বা সিসিটিভি ক্যামেরা আছে ওইসব এলাকায় পার্কিং করেন। তাহলে মোটরসাইকেল চুরি কিছুটা রোধ করা যাবে। সিসিটিভি আছে এমন জায়গায় এলাকায় মোটরসাইকেল চুরি হলেও আমরা ফুটেজ দেখে পরবর্তীতে তা বের করে ফেলতে পারব। আর যারা মফস্বল এলাকা থেকে মোটরসাইকেল কেনেন, তারা কেনার আগে কাগজপত্র বিআরটিএ থেকে যাচাই করে কিনবেন।

অন্যথায় যারা চোরাই মোটরসাইকেল কিনবেন বা যার বাসা থেকে উদ্ধার হবে তারাও সেই চোরাই মামলার আসামি হবেন। যেসব মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে- সেগুলোর সঠিক কাগজ নিয়ে আসবেন আমরা যাচাই করে গাড়ি ফেরত দিয়ে দেব।

এমএম