<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
  <rss version="2.0"
  	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
  	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
  	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
  	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
  	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
  	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
  	xmlns:georss="http://www.georss.org/georss"
  	xmlns:geo="http://www.w3.org/2003/01/geo/wgs84_pos#"
  	>
    <channel>
    	<title>Agami News</title>
    	<atom:link href="https://agaminews.com/rss/rss.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
    	<link>https://agaminews.com</link>
    	<description>Multi Media Online News Portal</description>
    	<lastBuildDate>Fri, 03 Jul 2026 22:55:25 +0600</lastBuildDate>
    	<language>en-US</language>
    	<sy:updatePeriod> hourly </sy:updatePeriod>
    	<sy:updateFrequency> 1 </sy:updateFrequency>
      <image>
      	<url>https://www.agaminews.com/media/common/favicon.png</url>
      	<title>Agami News</title>
      	<link>https://agaminews.com</link>
      	<width>32</width>
      	<height>32</height>
      </image>
<item>
  <title>পরিবেশ বান্ধব ও সাশ্রয়ী  পানি উৎপাদন</title>
  <link>https://www.agaminews.com/national/news/101557</link>
  <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 22:55:25 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/national/news/101557</guid>
  <description><![CDATA[পরিবেশ বান্ধব ও সাশ্রয়ী&nbsp; পানি উৎপাদন

ড. নিম হাকিম&nbsp;ঃ সৌরশক্তি ব্যবহার করে সমুদ্রের পানিকে বিশুদ্ধ করার মূল উদ্দেশ্য হলো সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে সুপেয় পানি উৎপাদন করা। এই প্রক্রিয়ায় মূলত দুটি প্রধান পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়:&nbsp;&nbsp;
​সোলার-চালিত রিভার্স অসমোসিস (PV-RO) পদ্ধতিতে সোলার প্যানেল থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ ব্যবহার করে হাই-প্রেশার পাম্প চালানো হয়। এই]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>পরিবেশ বান্ধব ও সাশ্রয়ী&nbsp; পানি উৎপাদন</p>

<p>ড. নিম হাকিম&nbsp;ঃ সৌরশক্তি ব্যবহার করে সমুদ্রের পানিকে বিশুদ্ধ করার মূল উদ্দেশ্য হলো সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে সুপেয় পানি উৎপাদন করা। এই প্রক্রিয়ায় মূলত দুটি প্রধান পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়:&nbsp;&nbsp;<br />
​সোলার-চালিত রিভার্স অসমোসিস (PV-RO) পদ্ধতিতে সোলার প্যানেল থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ ব্যবহার করে হাই-প্রেশার পাম্প চালানো হয়। এই পাম্পের সাহায্যে সমুদ্রের পানিকে একটি বিশেষ সূক্ষ্ম মেমব্রেন (Membrane) বা পর্দার মধ্য দিয়ে উচ্চ চাপে প্রবাহিত করা হয়। মেমব্রেনটি পানিকে যেতে দিলেও লবণের কণা ও অন্যান্য অমেধ্য আটকে দেয়, ফলে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়।&nbsp;&nbsp;<br />
​সোলার ডিসটিলেশন- একটি প্রাকৃতিক বা তাপীয় প্রক্রিয়া। এখানে সৌর তাপ ব্যবহার করে সমুদ্রের পানিকে বাষ্পীভূত করা হয়। বাষ্পীভূত পানিকে পরে ঘনীভূত (Condense) করে বিশুদ্ধ মিঠা পানি হিসেবে সংগ্রহ করা হয়। লবণ এবং খনিজ পদার্থ পাত্রের নিচে থেকে যায়।<br />
​এই প্রযুক্তির বড় সুবিধা হলো এটি গ্রিডের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং কোনো ক্ষতিকর কার্বন নিঃসরণ করে না। দক্ষিণ কোরিয়ার উলসান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (UNIST) এবং কোরিয়া ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (KIST) সৌরশক্তি চালিত বিশুদ্ধকরণ ডিভাইসের উন্নয়নে নতুন উপাদান উদ্ভাবন করেছে যা সৌরশক্তির শোষণ ক্ষমতা বাড়িয়ে পানি বাষ্পীভূত করার গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।&nbsp; প্রচলিত সৌর বিশুদ্ধকরণ ব্যবস্থায় লবণ জমে যন্ত্রপাতি দ্রুত নষ্ট হয়ে যেত। কোরিয়ার গবেষকরা বিশেষ &#39;সুপার-উইকিং&#39; (Super-wicking) উপাদান এবং বিশেষ অক্সাইড আবরণ ব্যবহার করেছেন, যা লবণ জমতে বাধা দেয় এবং ডিভাইসের কার্যকারিতা দীর্ঘস্থায়ী করে। দক্ষিণ কোরিয়া রিভার্স অসমোসিস (RO) প্রযুক্তির শক্তি খরচ কমিয়ে শুধুমাত্র সূর্যের আলো ব্যবহার করেই বড় পরিসরে পানি বিশুদ্ধ করতে সক্ষম, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে।&nbsp; ডুসান এনারবিলিটি, কোরিয়া ওয়াটার রিসোর্সেস কর্পোরেশন) একটি জাতীয় জোট গঠন করেছে। এই জোটের লক্ষ্য হলো সৌরশক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার খরচ কমিয়ে আনা এবং এই প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া।দক্ষিণ কোরিয়া কেবল নতুন যন্ত্রপাতি তৈরির উদ্ভাবনেই থেমে নেই, বরং তারা পানির উৎসকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার জন্য একটি শক্তিশালী অবকাঠামো তৈরিতেও নেতৃত্ব দিচ্ছে।</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>কারবালায় যে ৭২ জন শহীদ হয়েছিলেন</title>
  <link>https://www.agaminews.com/religion/news/101556</link>
  <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 11:21:21 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[ধর্ম দর্শন]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/religion/news/101556</guid>
  <description><![CDATA[(১) হযরত হুসাইন ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(২) হযরত আব্বাস ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৩) হযরত আলী আকবার ইবনে হুসাইন (আলাইহিসসালাম)
(৪) হযরত আলী আসগার ইবনে হুসাইন (আলাইহিসসালাম)
(৫) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৬) হযরত জাফার ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৭) হযরত উসমান ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৮) হযরত আবুবাকার ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৯) হযরত আবুবাকার ইবনে হাসান (আলাইহিসসালাম)
(১০) হযরত কাসিম]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>(১) হযরত হুসাইন ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)<br />
(২) হযরত আব্বাস ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩) হযরত আলী আকবার ইবনে হুসাইন (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪) হযরত আলী আসগার ইবনে হুসাইন (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬) হযরত জাফার ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৭) হযরত উসমান ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৮) হযরত আবুবাকার ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৯) হযরত আবুবাকার ইবনে হাসান (আলাইহিসসালাম)<br />
(১০) হযরত কাসিম ইবনে হাসান (আলাইহিসসালাম)</p>

<p>(১১) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে হাসান (আলাইহিসসালাম)<br />
(১২) হযরত আওন ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আলাইহিসসালাম)<br />
(১৩) হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আলাইহিসসালাম)<br />
(১৪) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুসলিম (আলাইহিসসালাম)<br />
(১৫) হযরত মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম (আলাইহিসসালাম)<br />
(১৬) মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনে আকীল (আলাইহিসসালাম)<br />
(১৭) হযরত আব্দুল রহমান ইবনে আকীল (আলাইহিসসালাম)<br />
(১৮) হযরত জাফার ইবনে আকীল (আলাইহিসসালাম)<br />
(১৯) হযরত উনস্ ইবনে হার্স আসাদী (আলাইহিসসালাম)<br />
(২০) হযরত হাবীব ইবনে মাজাহির আসাদী (আলাইহিসসালাম)</p>

<p>(২১) হযরত মুসলিম ইবনে আওসাজা আসাদী (আলাইহিসসালাম)<br />
(২২) হযরত কাইস ইবনে মাসহার আসাদী (আলাইহিসসালাম)<br />
(২৩) হযরত আবু সামামা উমরু ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আলাইহিসসালাম)<br />
(২৪) হযরত বুরির হামদানী (আলাইহিসসালাম)<br />
(২৫) হযরত হানালা ইবনে আসাদ (আলাইহিসসালাম)<br />
(২৬) হযরত আবিস শাকরি (আলাইহিসসালাম)<br />
(২৭) হযরত আব্দুল রহমান রাহবি (আলাইহিসসালাম)<br />
(২৮) হযরত সাইফ ইবনে হার্স (আলাইহিসসালাম)<br />
(২৯) হযরত আমির ইবনে আব্দুল্লাহ্ হামদানি (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩০) হযরত জুনাদা ইবনে হার্স (আলাইহিসসালাম)</p>

<p>(৩১) মহযরত মাজমা ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩২) হযরত নাফে ইবনে হালাল (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩৩) হযরত হাজ্জাজ ইবনে মাসরুক (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩৪) হযরত উমার ইবনে কারজা (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩৫) হযরত আব্দুল রহমান ইবনে আবদে রব (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩৬) হযরত জুনাদা ইবনে কাব (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩৭) হযরত আমির ইবনে জানাদা (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩৮) হযরত নাঈম ইবনে আজলান (আলাইহিসসালাম)<br />
(৩৯) হযরত সাদ ইবনে হার্স (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪০) হযরত জুহায়ের ইবনে কাইন (আলাইহিসসালাম)</p>

<p>(৪১) হযরত সালমান ইবনে মাযারিব (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪২) হযরত সাঈদ ইবনে উমার (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪৩) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে বাশীর (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪৪) হযরত ইয়াযীদ ইবনে জাঈদ কানদী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪৫) হযরত হারব্ ইবনে ওমরুল কাইস (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪৬) হযরত জাহীর ইবনে আমির (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪৭) হযরত বাসীর ইবনে আমির (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪৮) হযরত আব্দুল্লাহ্ আরওয়াহ্ গাফ্ফারি (আলাইহিসসালাম)<br />
(৪৯) হযরত জওন (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫০) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমির (আলাইহিসসালাম)</p>

<p>(৫১) হযরত আব্দুল আলা ইবনে ইয়াযীদ (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫২) হযরত সেলিম ইবনে আমির আজদী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫৩) হযরত কাসিম ইবনে হাবীব (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫৪) হযরত জায়েদ ইবনে সেলিম (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫৫) হযরত নোমান ইবনে উমার আবদী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫৬) হযরত ইয়াযীদ ইবনে সাবিত (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫৭) হযরত আমির ইবনে মুসলিম (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫৮) হযরত সাইফ ইবনে মালিক (আলাইহিসসালাম)<br />
(৫৯) হযরত জাবির ইবনে হাজ্জাজি (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬০) হযরত মাসঊদ ইবনে হাজ্জাজি (আলাইহিসসালাম)</p>

<p>(৬১) হযরত আব্দুল রহমান ইবনে মাসঊদ (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬২) হযরত বাকের ইবনে হাই (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬৩) হযরত আম্মার ইবনে হাসান তায়ী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬৪) হযরত যুরঘামা ইবনে মালিক (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬৫) হযরত কানানা ইবনে আতিক (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬৬) হযরত আকাবা ইবনে সুল্ছ (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬৭) হযরত হুর ইবনে ইয়াযীদ তামামি (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬৮) আকাবা ইবনে সুল্স (আলাইহিসসালাম)<br />
(৬৯) হযরত হাবালা ইবনে আলী শিবানী (আলাইহিসসালাম)<br />
(৭০) হযরত কানাব ইবনে উমার (আলাইহিসসালাম)<br />
(৭১) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে ইয়াকতার (আলাইহিসসালাম)<br />
(৭২) হযরত গোলামে তুরকি (আলাইহিসসালাম)</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>সৃষ্টির আদি থেকে যা যা ঘটেছে পবিত্র আশুরায়</title>
  <link>https://www.agaminews.com/religion/news/101555</link>
  <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 11:10:48 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[ধর্ম দর্শন]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/religion/news/101555</guid>
  <description><![CDATA[মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রাঃ) ৬১হিঃ ১০ই মহররম ফোরাত নদীর পারে কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.) তার শিশু পুত্রসহ ৭২ জন সাথীসহ নির্দয়ভাবে শহীদ হয়েছেন ইয়াজিদের সিমারের দলের কাছে।

সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এই মহরাম আল্লাহপাক ব্যাপক তাৎপর্যপূর্ণ রুপে প্রতিষ্ঠিত করেছেন&hellip;

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সকল]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রাঃ) ৬১হিঃ ১০ই মহররম ফোরাত নদীর পারে কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.) তার শিশু পুত্রসহ ৭২ জন সাথীসহ নির্দয়ভাবে শহীদ হয়েছেন ইয়াজিদের সিমারের দলের কাছে।</p>

<p>সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এই মহরাম আল্লাহপাক ব্যাপক তাৎপর্যপূর্ণ রুপে প্রতিষ্ঠিত করেছেন&hellip;</p>

<p>প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সকল ত্রুটিমুক্ত ঘোষণা করেন এবং ভবিষ্যতে ত্রুটিমুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।</p>

<p>আদম (আঃ)কে সৃষ্টি করা হয়েছে ১০ই মহররম।</p>

<p>১০ই মহররম আদম (আঃ) কে বেহেশতে প্রবেশ করানো হয়েছে ।</p>

<p>আশুরাতেই আদম (আ.) কে বেহেশত থেকে দুনিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে।</p>

<p>আদম (আ.) এ তওবা কবুল করা হয় এই আশুরাতেই।</p>

<p>মা হাওয়া (আ.) এর সাথে আদম (আ.) পুনরায় সাক্ষাত হয় এই ১০ই মহররম।</p>

<p>আশুরাতেই জন্ম গ্রহণ করেন ইব্রাহীম (আ.)।</p>

<p>আশুরাতেই হযরত মূসা (আ.) এবং আল্লাহপাকের মধ্যে কথোপকথোন হয়েছিল।</p>

<p>হযরত মূসা (আ.) এর উপর তৌরাত কিতাব নাজিল হয়েছিল এই আশুরাতেই।</p>

<p>আশুরাতেই মূসা (আ.) তার সাথীদের নিয়ে নীল নদ পার হন এবং ফেরাউন বাহিনী পানিতে ডুবে মরে।</p>

<p>হযরত আইয়ুব (আ.) দীর্ঘ ১৮ বছর কঠিন রোগ ভোগের পর সুস্থ হয়ে উঠেন এই আশুরাতেই।</p>

<p>হযরত সোলায়মান (আ.) পুনঃ বাদশাহী লাভ করেন আশুরাতেই।</p>

<p>আশুরাতেই দাউদ (আ.) এর তওবা কবুল করা হয়।</p>

<p>হযরত ইউছুফ (আ.) তাঁর পিতা হযরত ইয়াকুব (আ.) এর সাথে মিলিত হন এই আশুরাতেই।</p>

<p>হযরত ইসা (আ.) জন্ম গ্রহণ করেন আশুরাতেই।</p>

<p>হযরত ইসা (আ.) কে আল্লাহপাক সশরীরে আসমানে তুলে নেন এই আশুরাতেই।</p>

<p>আশুরাতেই আল্লাহপাক হযরত ইদ্রিস (আ.) কে জীবিত করেন এবং তাকে জান্নাতে উঠিয়ে নেয়া হয়।</p>

<p>হযরত নূহ (আ.) এর জাহাজ চল্লিশ দিন পর পাহাড়ের কিনারে ভিড়ে আশুরাতেই।</p>

<p>আশুরাতেই হযরত নূহ (আ.) জমিনে অবতরণ করেন।</p>

<p>আশুরাতেই উম্মতে মুহাম্মদীর গুনাহ মাফ হয়।</p>

<p>জিব্রাইল (আ.) আশুরাতেই দুনিয়াতে আগমন করেন।</p>

<p>আল্লাহপাক দুনিয়াতে প্রথমবার রহমত নাজিল করেন ও রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করেন আশুরাতেই।</p>

<p>হযরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে বের হয়ে আসেন আশুরাতেই।</p>

<p>আসমান-জমিন সৃষ্টি করা হয়েছে মহররম মাসেই।</p>

<p>চাঁদ-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, পাহাড়-পর্বত, সাগর-মাহাসাগর সৃষ্টি করা হয় এই মহররম মাসেই।</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>সাহারা থেকে উড়ে আসা ধুলো</title>
  <link>https://www.agaminews.com/national/news/101554</link>
  <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 00:16:02 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/national/news/101554</guid>
  <description><![CDATA[সাহারা থেকে উড়ে আসা ধুলো

&nbsp;

সাহারা থেকে উড়ে আসা ধুলো&mdash;যেটা না থাকলে আমাজন এত সবুজ থাকতো না। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি&mdash;এক বিশাল মরুভূমি আর পৃথিবীর সবচেয়ে সবুজ জঙ্গলের মধ্যে আছে এক অদৃশ্য সম্পর্ক।
সাহারা মরুভূমির ধুলো প্রতি বছর প্রায় ২৭.৭ মিলিয়ন টন পরিমাণে বাতাসে ভেসে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যায়]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>সাহারা থেকে উড়ে আসা ধুলো</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সাহারা থেকে উড়ে আসা ধুলো&mdash;যেটা না থাকলে আমাজন এত সবুজ থাকতো না। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি&mdash;এক বিশাল মরুভূমি আর পৃথিবীর সবচেয়ে সবুজ জঙ্গলের মধ্যে আছে এক অদৃশ্য সম্পর্ক।<br />
সাহারা মরুভূমির ধুলো প্রতি বছর প্রায় ২৭.৭ মিলিয়ন টন পরিমাণে বাতাসে ভেসে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যায় আমাজন রেইনফরেস্টে অন্যদিকে, আমাজনে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতের কারণে মাটির দরকারি পুষ্টি উপাদান ধুয়ে যায়। ফলে মাটি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু এখানেই ঘটে প্রকৃতির এক চমৎকার ভারসাম্য&mdash;সাহারার এই ধুলো সেই হারিয়ে যাওয়া পুষ্টি ফিরিয়ে দেয়।&nbsp;<br />
এই ধুলোর ভেতরে থাকা ফসফরাস গাছের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা আমাজনের সবুজকে টিকিয়ে রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। প্রতি বছর প্রায় ২২,০০০ টন ফসফরাস সেখানে পৌঁছে&mdash;যা প্রায় সমান সেই পরিমাণের, যা বৃষ্টিতে হারিয়ে যায়।&nbsp;<br />
একদিকে শুষ্ক মরুভূমি, অন্যদিকে সজীব রেইনফরেস্ট&mdash;দুই ভিন্ন জগত, তবুও একে অপরের উপর নির্ভরশীল। প্রকৃতির এই নিখুঁত সমন্বয় সত্যিই বিস্ময়কর। আমরা যা দেখি না&mdash;সেটাই হয়তো পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় শক্তি!&nbsp;&nbsp;</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>মরুভূমিকে উর্বর ভূমিতে পরিনত  করার অনুজীব আবিস্কার</title>
  <link>https://www.agaminews.com/national/news/101553</link>
  <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 18:51:17 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/national/news/101553</guid>
  <description><![CDATA[মরুভূমিকে উর্বর ভূমিতে পরিনত&nbsp; করার অনুজীব আবিস্কার

ড. নিম হাকিম ঃ যুগান্তকারী পদ্ধতিতে সায়ানোব্যাকটেরিয়া (সালোকসংশ্লেষণকারী, নীল-সবুজ অণুজীব) ব্যবহার করে মাত্র ১০ থেকে ১৬ মাসের মধ্যে অনুর্বর মরুভূমির বালুকে দ্রুত উর্বর ও উদ্ভিদ-সহায়ক মাটিতে রূপান্তর করা হয়। চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস (যার মধ্যে শাপোতৌ ডেজার্ট এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ স্টেশনও অন্তর্ভুক্ত)-এর গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>মরুভূমিকে উর্বর ভূমিতে পরিনত&nbsp; করার অনুজীব আবিস্কার</p>

<p>ড. নিম হাকিম ঃ যুগান্তকারী পদ্ধতিতে সায়ানোব্যাকটেরিয়া (সালোকসংশ্লেষণকারী, নীল-সবুজ অণুজীব) ব্যবহার করে মাত্র ১০ থেকে ১৬ মাসের মধ্যে অনুর্বর মরুভূমির বালুকে দ্রুত উর্বর ও উদ্ভিদ-সহায়ক মাটিতে রূপান্তর করা হয়। চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস (যার মধ্যে শাপোতৌ ডেজার্ট এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ স্টেশনও অন্তর্ভুক্ত)-এর গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এই জৈবিক পদ্ধতিটি মরুকরণের মূল কারণ&mdash;অর্থাৎ আলগা বালির পানি বা পুষ্টি উপাদান ধরে রাখতে না পারার অক্ষমতা দূর করে।<br />
​প্রকৃতিতে অণুজীব, লাইকেন এবং শ্যাওলার একটি পাতলা, জীবন্ত স্তর দশকের পর দশক ধরে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠে, যা মরুভূমির &quot;জীবন্ত ত্বক&quot; হিসেবে কাজ করে। চীনের এই প্রযুক্তিটি গবেষণাগারে স্থানীয় প্রজাতির শক্ত ও খরা-সহনশীল সায়ানোব্যাকটেরিয়া চাষ করে এবং তা বালির ওপর স্প্রে করার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটিকে দ্রুত গতিশীল করে তোলে। গবেষণাগারে উৎপাদিত এই ব্যাকটেরিয়াগুলো যখন মরুভূমির সামান্য আর্দ্রতার সংস্পর্শে আসে, তখন তারা দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং আঠালো, শর্করা-জাতীয় উপাদান (এক্সট্রাসেলুলার পলিমারিক সাবস্ট্যান্স) নিঃসরণ করে। এটি একটি প্রাকৃতিক আঠার মতো কাজ করে আলগা বালির কণাগুলোকে একসাথে বেঁধে একটি স্থিতিশীল উপরিভাগের আস্তরণ বা ক্রাস্ট তৈরি করে।<br />
​এই কৃত্রিম আস্তরণটি বাতাসের কারণে সৃষ্ট ক্ষয় রোধ করে এবং বৃষ্টির পানি তাৎক্ষণিকভাবে ঝরে যেতে না দিয়ে দিনের পর দিন উপরিভাগের কাছাকাছি ধরে রাখে। ব্যাকটেরিয়াগুলো বড় হওয়ার পর যখন মারা যায় এবং পচে যায়, তখন তারা বালিকে সমৃদ্ধ করে&mdash;যার ফলে সাধারণ মরুভূমির তুলনায় জৈব কার্বনের সঞ্চয় তিন গুণেরও বেশি এবং নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ১৫ গুণ বৃদ্ধি পায়।<br />
​এক বছরের মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার স্তরটি যখন চলনশীল বালিয়াড়িকে স্থিতিশীল করে তোলে, তখন বাস্তুতন্ত্রটি প্রাকৃতিকভাবেই লাইকেন, শ্যাওলা, ঘাস এবং অবশেষে কৃষিজাত ফসল উৎপাদনের উপযোগী হয়ে ওঠে।​ চীনের উত্তর- পশ্চিমাঞ্চলের কঠোর মরুভূমিগুলোতে (যেমন গোবি এবং তাকলামাকান মরুভূমির কিছু অংশ) মাঠপর্যায়ের পরীক্ষায় এই পদ্ধতিটি অত্যন্ত সফল প্রমাণিত হয়েছে। প্রথাগত প্রকৌশল পদ্ধতি&mdash;যেখানে দশকের পর দশক ধরে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে গাছ লাগানো এবং ব্যয়বহুল সেচ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়&mdash;তার তুলনায় ব্যাকটেরিয়া-ভিত্তিক এই পদ্ধতিটি অবিশ্বাস্যভাবে সাশ্রয়ী, স্বনির্ভর এবং ব্যাপকভাবে প্রয়োগযোগ্য। ফলে বৈশ্বিক ভূমি ক্ষয় রোধের লড়াইয়ে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>আফ্রিকার গ্রেট গ্রীন ওয়াল।।</title>
  <link>https://www.agaminews.com/national/news/101552</link>
  <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 19:06:19 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/national/news/101552</guid>
  <description><![CDATA[আফ্রিকার গ্রেট গ্রীন ওয়াল।।

ড. নিম হাকিম ঃ আফ্রিকার গ্রেট গ্রীন ওয়াল (Great Green Wall) হলো জলবায়ু পরিবর্তন এবং মরুকরণ প্রতিরোধে আফ্রিকার নেতৃত্বাধীন একটি যুগান্তকারী ও বিশাল পরিবেশগত উদ্যোগ।
​মূল লক্ষ্য: সাহারা মরুভূমির দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত &#39;সাহেল&#39; (Sahel) অঞ্চলে মরুভূমির বিস্তার রোধ করা, মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>আফ্রিকার গ্রেট গ্রীন ওয়াল।।</p>

<p>ড. নিম হাকিম ঃ আফ্রিকার গ্রেট গ্রীন ওয়াল (Great Green Wall) হলো জলবায়ু পরিবর্তন এবং মরুকরণ প্রতিরোধে আফ্রিকার নেতৃত্বাধীন একটি যুগান্তকারী ও বিশাল পরিবেশগত উদ্যোগ।<br />
​মূল লক্ষ্য: সাহারা মরুভূমির দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত &#39;সাহেল&#39; (Sahel) অঞ্চলে মরুভূমির বিস্তার রোধ করা, মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করা।&nbsp;&nbsp;<br />
&nbsp;২০০৭ সালে আফ্রিকান ইউনিয়নের উদ্যোগে এটি শুরু হয়। মূলত আফ্রিকার পশ্চিম প্রান্তের সেনেগাল থেকে শুরু করে পূর্ব প্রান্তের জিবুতি পর্যন্ত প্রায় ৮,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৫ কিলোমিটার চওড়া একটি গাছের সবুজ প্রাচীর বা বনভূমি গড়ে তোলার পরিকল্পনা এটি।&nbsp; &nbsp;এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) হেক্টরের বেশি অবক্ষয়িত জমি পুনরুদ্ধার করা, ২৫০ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করা এবং স্থানীয় মানুষের জন্য ১০ মিলিয়ন (১ কোটি) সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।<br />
​বর্তমান ধারণা: শুরুতে এটি কেবল একটি সোজা গাছের প্রাচীর হিসেবে ভাবা হলেও, বর্তমানে এটি একটি বিস্তৃত পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় রূপ নিয়েছে। এর মধ্যে এখন গাছ লাগানোর পাশাপাশি টেকসই কৃষি, পানি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের অর্থনৈতিক উন্নয়নও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<br />
​এককথায় বলতে গেলে, এটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম জীবন্ত প্রাকৃতিক বিস্ময় গড়ে তোলার একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা।</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>সূর্য ​মহাবিশ্ব ভ্রমন করে প্রতি ঘন্টায় ৫,১৪,০০০ মাইল!</title>
  <link>https://www.agaminews.com/national/news/101551</link>
  <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 18:53:36 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/national/news/101551</guid>
  <description><![CDATA[সূর্য ​মহাবিশ্ব ভ্রমন করে প্রতি ঘন্টায় ৫,১৪,০০০ মাইল !

ড. নিম হাকিম : সূর্য আমাদের সমগ্র&nbsp;সৌরজগতের সাথে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির (ছায়াপথ) কেন্দ্রের চারপাশে একটি বিশাল কক্ষপথে ভ্রমণ করে। গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে সূর্যের মাত্র একটি পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে, তাকে একটি গ্যালাকটিক বর্ষ (galactic year) বা কসমিক বর্ষ (cosmic year)]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>সূর্য ​মহাবিশ্ব ভ্রমন করে প্রতি ঘন্টায় ৫,১৪,০০০ মাইল !</p>

<p>ড. নিম হাকিম : সূর্য আমাদের সমগ্র&nbsp;সৌরজগতের সাথে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির (ছায়াপথ) কেন্দ্রের চারপাশে একটি বিশাল কক্ষপথে ভ্রমণ করে। গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে সূর্যের মাত্র একটি পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে, তাকে একটি গ্যালাকটিক বর্ষ (galactic year) বা কসমিক বর্ষ (cosmic year) বলা হয়।<br />
​প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার (ঘণ্টায় ৫,১৪,০০০ মাইল) অবিশ্বাস্য গতিতে ভ্রমণ করে, সূর্যের এই একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর হিসাব অনুযায়ী প্রায় ২২.৫ থেকে ২৫ কোটি (২২৫ থেকে ২৫০ মিলিয়ন) বছর সময় লাগে।<br />
​যেহেতু সৌরজগতের বয়স আনুমানিক ৪৬০ কোটি (৪.৬ বিলিয়ন) বছর, তাই জন্মের পর থেকে সূর্য এই মহাজাগতিক যাত্রা মাত্র ১৮ থেকে ২০ বারের মতো সম্পন্ন করতে পেরেছে।<br />
​বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী, একটি &#39;মেইন-সিকোয়েন্স&#39; (প্রধান অনুক্রম) তারকা হিসেবে সূর্যের বর্তমান জীবনচক্রে আরও প্রায় ৫০০ কোটি (৫ বিলিয়ন) বছর বাকি আছে, যার পর এটি একটি &#39;রেড জায়ান্ট&#39; বা লোহিত দানব তারকায় পরিণত হবে। এই অবশিষ্ট জীবনকালের মধ্যে, সূর্য মিল্কিওয়ের চারপাশে আরও ২০ থেকে ২২ বার পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।<br />
​তার সমগ্র ১০০০ কোটি (১০ বিলিয়ন) বছরের জীবনকালে, সূর্য মোট মিলিয়ে ছায়াপথটিকে মাত্র ৪০ বারের মতো প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম হবে।<br />
​এই কক্ষপথের যাত্রাটি কিন্তু একদম নিখুঁত সমতল বৃত্তাকার নয়; সৌরজগৎটি কেন্দ্রের চারপাশে ঘোরার সময় ঘন গ্যালাকটিক সমতলের মধ্য দিয়ে মৃদুভাবে ওপর-নিচে দুলতে দুলতে (bob up and down) এগিয়ে চলে।<br />
​যদিও পৃথিবীতে আমরা নিজেদের স্থির মনে করি, তবুও আমরা এই অবিশ্বাস্য ও কোটি কোটি বছরের দীর্ঘ গ্যালাকটিক লুপে (মহাজাগতিক চক্রে) অনবরত আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশের বুক চিরে ছুটে চলেছি। সংগৃহীত</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>মৌমাছি না থাকলে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যশস্য উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে</title>
  <link>https://www.agaminews.com/national/news/101550</link>
  <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 22:04:40 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/national/news/101550</guid>
  <description><![CDATA[&nbsp;

ড. নিম হাকিম&nbsp;ঃ

মৌমাছি না থাকলে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যশস্য উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সোনা, তেল কিংবা প্রযুক্তি&mdash;কিছুই সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারবে না। বিশ্বের কৃষির প্রায় ৭৫% পরাগায়নের উপর নির্ভরশীল, আর এই কাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাহক হলো মৌমাছি।&nbsp;
FAO-এর তথ্য অনুযায়ী, শুধু পরাগায়ন পরিষেবার বার্ষিক অর্থনৈতিক মূল্যই ২৩৫ থেকে ৫৭৭]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>&nbsp;</p>

<p>ড. নিম হাকিম&nbsp;ঃ</p>

<p>মৌমাছি না থাকলে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যশস্য উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সোনা, তেল কিংবা প্রযুক্তি&mdash;কিছুই সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারবে না। বিশ্বের কৃষির প্রায় ৭৫% পরাগায়নের উপর নির্ভরশীল, আর এই কাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাহক হলো মৌমাছি।&nbsp;<br />
FAO-এর তথ্য অনুযায়ী, শুধু পরাগায়ন পরিষেবার বার্ষিক অর্থনৈতিক মূল্যই ২৩৫ থেকে ৫৭৭ বিলিয়ন ডলারের সমান। অন্যদিকে বনাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে জলচক্র, পুনর্ভরণ করে ভূগর্ভস্থ পানি, কমায় বন্যার ঝুঁকি এবং টিকিয়ে রাখে জীববৈচিত্র্য। IPBES Global Assessment 2019 বলছে&mdash;এই বাস্তুতান্ত্রিক পরিষেবাগুলোর কোনো প্রকৃত বিকল্প নেই। বাজারমূল্য দিয়ে এগুলো প্রতিস্থাপন করা অসম্ভব।<br />
প্রকৃতি আমাদের জন্য কেবল সম্পদ নয়, এটি মানবসভ্যতার অস্তিত্বের ভিত্তি। জীবজগৎ রক্ষা এখন আর শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়, এটি টিকে থাকার গাণিতিক প্রয়োজনীয়তা।&nbsp;<br />
Source: FAO Pollination Report; IPBES Global Assessment 2019; Nature Ecosystem Services Research.</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>ন্যাশনাল এপি কালচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ  নামে মৌচাষীদের সাথে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ</title>
  <link>https://www.agaminews.com/national/news/101549</link>
  <pubDate>Fri, 15 May 2026 20:30:25 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/national/news/101549</guid>
  <description><![CDATA[রাজবাড়ি জেলার বহরপুর শান্তি মিশনে ২০১৭ সালের জুলাই ১ তারিখে দেশের মৌচাষীদের কল্যাণ ও উন্নয়নে &nbsp;প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল এপি কালচার ফাউন্ডেশন যা সরকারি নিবন্ধন পায় ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ সালে। যার পৃষ্ঠপোশক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর &nbsp;জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত গবেষক ড. নিম হাকিম। ২৫ সদস্যের সাধারণ পরিষদ ও ৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদ নিয়ে]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>রাজবাড়ি জেলার বহরপুর শান্তি মিশনে ২০১৭ সালের জুলাই ১ তারিখে দেশের মৌচাষীদের কল্যাণ ও উন্নয়নে &nbsp;প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল এপি কালচার ফাউন্ডেশন যা সরকারি নিবন্ধন পায় ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ সালে। যার পৃষ্ঠপোশক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর &nbsp;জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত গবেষক ড. নিম হাকিম। ২৫ সদস্যের সাধারণ পরিষদ ও ৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদ নিয়ে যাত্রা শুরু এই প্রতিষ্ঠানের।শুরুতেই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হানিফ খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক তার বিয়াই আবুল হোসেন সদস্যদের অগোচরে সংগঠন বিরোধী নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ ১১ বছর কোন সাধারণ সভা করে আয় ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ পরিষদের অধিকাংশ সদস্য এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি,সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রচার সম্পাদকদহ &nbsp;৯ জনের মধ্যে ৬ জনকে বাদ দিয়ে ভূয়া কমিটি গঠন করে এবং ন্যাশনাল এপি কালচার ফাউন্ডেশন এর নামের সাথে বে আইনি ভাবে বাংলাদেশ শব্দ যোগ করে ন্যাশনাল &nbsp;এপিকালচার ফাউন্ডেশন নাম দিয়ে &nbsp;রেজিস্ট্রারার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি এন্ড ফার্মস কে অবগত না করিয়ে &nbsp;সংস্থার রেজিস্টার্ড অফিস পরিবর্তন করে ঢাকার পুরানা পল্টনের ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে আগামী ২০ মে ঢাকায় বিশ্ব মৌমাছি দিবসে একটি জাতীয় সন্মেলন ডেকে মৌচাষীদের থেকে রেজিষ্ট্রেশনের নামে জনপ্রতি &nbsp;১০০০ টাকা এবং স্পনসরের নামে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিষয়টি প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী কমিটির নজিরে এলে &nbsp;ওই কমিটির সহসভাপতি আব্দুর রশিদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুল ইসলাম ইতিমধ্যেই &nbsp;ন্যাশনাল এপি কালচার ফাউন্ডেশনের এ সব বে আইনি কর্মকাণ্ড ও সন্মেলন আয়োজন থেকে বিরত থাকার জন্য প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি হানিফ খাঁনকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে তারা জয়েন্ট স্টক কোম্পানি এন্ড ফার্মসের রেজিস্ট্রারারের কাছে অভিযোগ ও আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানান। তারা দেশের সকল মৌচাষীদের এই সন্মেলন অংশ গ্রহন থেকে বিরত থাকার আহবান জানান।</p>]]></content:encoded>
</item>
<item>
  <title>অনুমোদনহীন ভারতীয় ঔষধ ও শিশু খাদ্যে বাজার সয়লাব:মারাত্মক  স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে  বাংলাদেশ </title>
  <link>https://www.agaminews.com/national/news/101548</link>
  <pubDate>Wed, 29 Apr 2026 16:17:58 +0600</pubDate>
  <category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
  <guid>https://www.agaminews.com/national/news/101548</guid>
  <description><![CDATA[অনুমোদনহীন ভারতীয় ঔষধ ও শিশু খাদ্যে বাজার সয়লাব:মারাত্মক&nbsp; স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে&nbsp; বাংলাদেশ&nbsp;

ড. নিম হাকিম&nbsp;ঃ
সারাদেশে বিভিন্ন ফার্মেসীতে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ভারতীয় ঔষধ&nbsp; যা অধিকাংশই ভেজাল বা নকল।ভয়াবহ অবস্থা হলো ক্যান্সারের ক্যামো ইঞ্জেকশন থেকে শুরু করে অনেক জীবন রক্ষাকারি ঔষধও&nbsp; রয়েছে এই তালিকায়। এসব নিয়ন্ত্রণে&nbsp; ঔষধ প্রশাসনের তেমন কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা&nbsp;]]></description>
  <content:encoded><![CDATA[<p>অনুমোদনহীন ভারতীয় ঔষধ ও শিশু খাদ্যে বাজার সয়লাব:মারাত্মক&nbsp; স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে&nbsp; বাংলাদেশ&nbsp;</p>

<p>ড. নিম হাকিম&nbsp;ঃ<br />
সারাদেশে বিভিন্ন ফার্মেসীতে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ভারতীয় ঔষধ&nbsp; যা অধিকাংশই ভেজাল বা নকল।ভয়াবহ অবস্থা হলো ক্যান্সারের ক্যামো ইঞ্জেকশন থেকে শুরু করে অনেক জীবন রক্ষাকারি ঔষধও&nbsp; রয়েছে এই তালিকায়। এসব নিয়ন্ত্রণে&nbsp; ঔষধ প্রশাসনের তেমন কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা&nbsp; যাচ্ছে না।<br />
অপরদিকে নিম্ন মানের ভারতীয় শিশুখাদ্য যার&nbsp; বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নাই তাও বিক্রি হচ্ছে নামীদামি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও ফার্মেসীতে। মাঝেমধ্যে ভোক্তা অধিকার অভিযান চালালেও তাতে বন্ধ হওয়ার কোন লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে না।<br />
বিষয়টি জরুরী ভিত্তিতে&nbsp; স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ক্ষতিয়ে দেখা উচিৎ।</p>]]></content:encoded>
</item>
  </channel>
</rss>