Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

করোনায় একদিনে মৃত্যু ১৪১৩, শনাক্ত ৫ লাখ ৬৫ হাজার


আগামী নিউজ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: মে ২৭, ২০২২, ০৮:৩৩ এএম
করোনায় একদিনে মৃত্যু ১৪১৩, শনাক্ত ৫ লাখ ৬৫ হাজার

ঢাকাঃ বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরও ১ হাজার ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি মানুষ।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে করোনায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬৩ লাখ সাত হাজার ৫৮৫ জনের। আর মোট শনাক্ত হয়েছে ৫৩ কোটি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৯২ জনের। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫০ কোটি ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৮৯২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে উত্তর কোরিয়ায়। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৫০০ জন। পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩১ লাখ ৭০ হাজার ৩৮০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৬৮ জন মারা গেছেন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ হাজার ৮২৭ জন এবং মারা গেছেন ২১৬ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ৫৫ লাখ ৬১ হাজার ৯২০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১০ লাখ ৩০ হাজার ৭১০ জন মারা গেছেন।

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯১ জন এবং নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৪ হাজার ৭০০ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৮৩ লাখ ১০ হাজার ৬৭৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৭০০ জনের। একইসময়ে ফিনল্যান্ডে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯৬৮ জন এবং মারা গেছেন ১১৬ জন।

জার্মানিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩৯ জন এবং মারা গেছেন ৮৯ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৬২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৩৯ হাজার ১১৫ জন মারা গেছেন। একইসময়ে তাইওয়ানে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৯০৭ জন এবং মারা গেছেন ১০৪ জন।

ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ২৩৪ জন এবং মারা গেছেন ২৮ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৯৪ লাখ ৩৪ হাজার ৬০৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪ জন মারা গেছেন। একইসময়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮০০ জন এবং মারা গেছেন ৪৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৭৯৭ জন এবং মারা গেছেন ৩৪ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৮০ লাখ ৩৬ হাজার ৭২০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৪ হাজার ৬৩ জন মারা গেছেন। একইসময়ে থাইল্যান্ডে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৯২৪ জন এবং মারা গেছেন ৩৭ জন।

ইতালিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৩২২ জন এবং মারা গেছেন ৯৪ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৩ হাজার ২৯৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৫৮ জন মারা গেছেন। একইসময়ে জাপানে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৮৬৯ জন এবং মারা গেছেন ৪৯ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৩৬ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৯১০ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার ৫১২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৬৬ হাজার ২৪৮ জনের।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১ হাজার ২১৩ জন। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ৩১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩ জন এবং মারা গেছেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ৫২৫ জন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অস্ট্রেলিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ হাজার ২১ জন এবং মারা গেছেন ৭২ জন। একই সময়ে চিলিতে নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৬৭৪ জন এবং মারা গেছেন ১৬ জন। কানাডায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৪০০ জন এবং মারা গেছেন ১৩১ জন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে।

মহামারি শুরুর প্রায় এক বছর পর টিকা আবিষ্কার করতে সক্ষম হন বিজ্ঞানীরা। তারপর থেকে করোনার ঢেউ অনেকটা কমে আসে। এমন অবস্থার পর করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন বিশ্বজুড়ে ফের আতঙ্ক সৃষ্টি করে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ করোনা টিকার বুস্টার ডোজের ওপর জোর দিচ্ছে।

এমবুইউ