Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

বিশ্বে করোনায় ১৬৩০ মৃত্যু, শনাক্ত প্রায় ৬ লাখ


আগামী নিউজ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২২, ১০:২২ এএম
বিশ্বে করোনায় ১৬৩০ মৃত্যু, শনাক্ত প্রায় ৬ লাখ

ঢাকাঃ বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরও ১ হাজার ৬৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকালে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে করোনায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬৩ লাখ ৬ হাজার ৬২ জনের। আর মোট শনাক্ত হয়েছে ৫২ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার ৩০৩ জনের। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫০ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ২৩৭ এর বেশি মানুষ।

দৈনিক প্রাণহানি ও সংক্রমণের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ৩০ হাজার ৪১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩১৭ জন। আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২২১ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত বেড়ে হয়েছে ৮ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ৩৪০ জনে।

দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে ব্রাজিল। ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ১৫৭ জনের। এ নিয়ে ল্যাটিন আমেরিকার দেশটিতে মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ৬৬ হাজার ১১২ জন। এসময়ে ব্রাজিলে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৭৮৭ জন। মোট শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬০২ জনে।

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৩ জন। আর রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৫৮০ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ৯৭৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৬০৯ জনের।

ভারতে একদিনে ২ হাজার ৬৮ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা দেশটিতে মোট শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৩১ লাখ ৪৪ হাজার ২৬০ জনে।

জার্মানিতে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১৪৭ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২৬ জনে। একদিনে সেখানে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২৬ জন। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ কোটি ৬২ লাখ ৫ হাজার দুইজন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে।

মহামারি শুরুর প্রায় এক বছর পর টিকা আবিষ্কার করতে সক্ষম হন বিজ্ঞানীরা। তারপর থেকে করোনার ঢেউ অনেকটা কমে আসে। এমন অবস্থার পর করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন বিশ্বজুড়ে ফের আতঙ্ক সৃষ্টি করে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ করোনা টিকার বুস্টার ডোজের ওপর জোর দিচ্ছে। করোনার প্রকোপ থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে বিশ্ব।

এমবুইউ