Agaminews
Dr. Neem Hakim

ভালো দাম পেয়ে লিচু চাষিদের মুখে হাসি 


আগামী নিউজ | মেহেরপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২০, ১১:৪১ এএম
ভালো দাম পেয়ে লিচু চাষিদের মুখে হাসি 

ছবি সংগৃহীত

মেহেরপুর: জেলার ৩৫০ হেক্টর জমির বাগানগুলোর গাছে-গাছে এখন টসটসে রসালো টকটকে লাল থোকা-থোকা লিচু ঝুলছে। গাছের লিচু দেখে পথচারীদের প্রাণ জুড়িয়ে যাচ্ছে। বাগান মালিক ও লিচু ব্যবসায়ীদেরও মনে-প্রাণেও আনন্দের জোয়ার। 

মহামারি করোনা দুর্যোগে চাষিরা বাজারজাত করার বিষয়ে শঙ্কিত ছিলো, তাই এমন ভালো দাম পাওয়াটা আশা করেননি তারা। কিন্তু কাঁচামাল পরিবহণের ক্ষেত্রে বাঁধা না থাকায় ভালো দামে লিচু বিক্রি করে লাভবান হওয়ায় ফুটে উঠেছে তাদের মুখে হাসির ঝিলিক।

দুইযুগ ধরে মেহেরপুরের গাংনীর ফরিদুল ইসলাম লিচুর চাষ করে আসছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দুই-একবছর লিচুর চাষে বিপর্যয় দেখেছেন। গাছে তরতাজা লিচু নিয়েও এবার করোনার কারণে তার কপালে দেখা দিয়েছিল চিন্তার ভাজ। এখন সেই ভাজ হারিয়ে গেছে ভালো দাম মেলাতে। ফরিদুলের মতো মেহেরপুরের লিচু চাষিরা আশংকা করছিলো এবার করোনার কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ভেঙে যাবে লিচু চাষে স্বপ্ন বাস্তবায়নের। কিন্তু বিপরীতটাই মিলছে।

ক্রেতা সংকটে লিচু গাছেই নষ্ট হবে বলে মনে করেছিলেন একই এলাকার লিচু চাষি হামিদুল ইসলাম। কিন্তু বাইরের ব্যাপারিরা এসে প্রতিদিন মেহেরপুরের লিচু নিয়ে যাচ্ছে। কাচাঁমালের কারণে পথেও পুলিশের কোন বাধা নেই। তিনি আরো জানান- এলাকার চাষিদের কাছ থেকে যে সকল ব্যবসায়ী আগেই লিচু বাগান কিনে নিয়েছেন এবছর তারা মূলধন তুলতে পারবেন বলে শঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।

এ প্রসঙ্গে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুল হক মিয়া জানান, এ বছর মেহেরপুর অঞ্চলে ৩৫০ হেক্টর জমিতে লিচুর বাগান আছে। প্রতি হেক্টরে ৮ টন হারে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে। স্থানীয় মোজাফ্ফর জাতের আটি লিচু খুব সুমিষ্ট। ফলন ভালো হয়েছে। ভালো দামও পাচ্ছেন চাষিরা।

আগামীনিউজ/মিজান 

Dr. Neem