Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

কলকাতায় এবার মডেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


আগামী নিউজ | বিনোদন ডেস্ক প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২২, ০১:০৬ পিএম
কলকাতায় এবার মডেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ঢাকাঃ দিন কয়েক আগেই টেলিপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী দে’র রহস্যমৃত্যু নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় টলিপাড়ায়। গড়ফার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় পল্লবীর ঝুলন্ত দেহ। সেই মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই আরেক মডেল-অভিনেত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হলো নিজ ফ্ল্যাট থেকে।

বিদিশা দে মজুমদার। টলিউডের উঠতি মডেল। থাকতেন দমদমের নাগেরবাজার এলাকার এক ফ্ল্যাটে। সেখান থেকেই বৃহস্পতিবার (২৬ মে) রাতে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। আত্মহত্যা নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও ষড়যন্ত্র, তা এখনও জানা যায়নি। তদন্তে নেমেছে নাগেরবাজার থানার পুলিশ।

অথচ এই বিদিশাই পল্লবীর এমন মৃত্যুতে ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন শোক।

বিদিশার বয়স ২১ বছর। তার মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা, তা পুলিশ তদন্ত করছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিদিশার গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দেওয়া ছিল। তার ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিদিশার দেহের পাশে পাওয়া গেছে একটি সুইসাইড নোটও।

নাগেরবাজারের একটি বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গে ভাড়া থাকতেন বিদিশা। গত চার বছর ধরে টলি পাড়ায় নিয়মিত মডেলিং করতেন তিনি। ভাড়: দ্য ক্লাউন নামের একটি সিনেমায়ও অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া  বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন এই মডেল। সবমিলিয়ে তার বেশ ভালো উপার্জন ছিল। কিন্তু তারপরও এভাবে চলে যাওয়ায় তার নিকট আত্মীয় ও বন্ধু-বান্ধবের মনে উঁকি দিচ্ছে নানা সন্দেহ।

বিদিশার এক বন্ধু ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সম্পর্কে টানাপোড়ন চলছিল তার। এজন্য কাজে মন দিতে পারছিলেন না তিনি। অকারণে উদাস থাকতেন। ধীরে ধীরে মানসিকভাবেও নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছিলেন।

ওই ঘনিষ্ঠজন আরও জানান, একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন বিদিশা। শরীরচর্চার প্রশিক্ষকসহ আরও কয়েকজন ছিলেন তার প্রেমিকের তালিকায়।

তবে জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না বিদিশা। পল্লবী দের মৃত্যুর খবর শুনে এমনটাই প্রকাশ করেছিলেন তার এক পরিচিতজনের কাছে। ওই পরিচিতজন বলেন, ‘বিদিশা আমাকে বলেছিল, পল্লবীর মতো আজকাল আমারও মরে যেতে ইচ্ছে করে।’

এই নারী মডেলের প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, দেড় মাস আগে নাগেরবাজারে বাড়ি ভাড়া নেন বিদিশা। পরিবারসহ থাকতেন সেখানে। কিন্ত তার হঠাৎ মৃত্যুর তারাও কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না।

তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা— ভারতীয় পুলিশের নিকট তা এখনও পরিষ্কার না। এ ব্যাপারে বিদিশার পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে কথা বলে সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে তারা। জানা গেছে, ইতোমধ্যেই তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

এমবুইউ