Agaminews
Dr. Neem

ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে হত্যা মামলার আসামী শনাক্ত


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক   প্রকাশিত: মার্চ ২৪, ২০২০, ০২:২৩ পিএম
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে হত্যা মামলার আসামী শনাক্ত

ঢাকা :  ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে হত্যা মামলার আসামি শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেসটিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সিআইডি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শেরপুর জেলার নকলা থানার একটি হত্যা মামলার হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা থেকে রক্তের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে আসামী শনাক্ত করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির ডিএনএ ল্যাবরেটরী ইউনিট।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি নকলা থানার রুনীগাঁও গ্রামের সোহেল মিয়ার ছাগল আহসানুল কবীরের জমিতে ঢুকে ধানের চারা নষ্ট করে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়লে তাদের প্রতিবেশী আ. বারেক ঝগড়া বিবাদ মীমাংসার চেষ্টা করে। বারেক তাদের ঝগড়া বিবাদ মীমাংসা চেষ্টা করার ফলে আহসানুল কবির ও তার পরিবারের সাথে মনোমালিন্য হয় ও তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করে।

পরদিন বারেক জমিতে কাজ করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে পথিমধ্যে আহসানুল কবীর এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তার পথ রোধ করে ধারালো ছোরা দিয়ে তাকে আঘাত করে। এতে আ. বারেকের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

পরবর্তীতে আ. বারেকের পুত্র মো.শামীম বাদী হয়ে আসামী আহসানুল কবীর এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নকলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালে আহসানুল কবীরের কাছ থেকে রক্তমাখা ধারালো কাঠের বাটযুক্ত একটি ছোরা জব্দ করে ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি, সিআইডিতে আলামত হিসেবে রক্তের নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রেরন করে।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির  ডিএনএ ল্যাবে ওই ছোরা পরীক্ষা করে। ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল থেকে দেখা যায় যে, ছোরাতে লেগে থাকা রক্ত এবং মৃত আ. বারেকের শরীর থেকে সংগৃহীত রক্তের ডিএনএ  প্রোফাইল সম্পূর্ণ এক। তাই ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল থেকে প্রমাণিত হয় যে আসামী আহসানুল কবীরের কাছ থেকে জব্দকৃত ছোরা দিয়ে বারেক কে খুন করা হয়।

সিআইডি দাবী করে, ডিএনএ ফলাফলের মাধ্যমে প্রকৃত আসামী শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ফলে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে উক্ত ডিএনএ প্রতিবেদন সহায়তা করবে।

আগামীনিউজ/আরিফ/মিজান 

Dr. Neem