Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

দিনাজপুরে বাড়ছে শীতের তীব্রতা


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২২, ০৮:৫৪ পিএম
দিনাজপুরে বাড়ছে শীতের তীব্রতা

ছবিঃ আগামী নিউজ

দিনাজপুরঃ দিনাজপুরে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের পর আবারও উত্তরের হিমেল বায়ু সক্রিয় হওয়ায় কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। একদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরে তাপমাত্রা কমেছে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে আবারও বাড়ছে শীতের তীব্রতা। এদিকে দেশের সর্বোত্তরে ইতিমধ্যে আবারও বইতে শুরু করেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছে, শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর একদিন আগে বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সর্বনম্নি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি জানান, শুক্রবার দেশের সর্বনম্নি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের এই কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টিপাতের পর হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এই জনপদে উত্তরের হিমেল বায়ু সক্রিয় হয়েছে। সেই সাথে কিছু কিছু এলাকায় বইতে শুরু করেছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ।  সকালে উত্তরের এই হিমেল বাতাসের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার। বেলা বাড়ার সাথে সাথে এর গতিবেত বৃদ্ধি পেয়ে ঘন্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হয়।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বুধবার ২৪ ঘণ্টায় দিনাজপুরে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১৮ মিলিমিটার। এই সময়ে এটিই দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। তিনি জানান, জানুয়ারী মাসে গত ৬ বছরে এটিই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। এর আগে গত ২০১৫ সালের জানুয়ারী মাসে দিনাজপুরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ২০ মিলিমিটার। এরপর গত ৫ বছরে জানুয়ারী মাসে মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিলো ৯ মিলিমিটার। চলতি পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দিনাজপুরে প্রথম দফায় বৃষ্টিপাত হয়। চলতি পৌষ মাসের ১৫ তারিখেও (৩০ ডিসেম্বর-২০২১) দিনাজপুরে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ৫ দশমিক ২ মিলিমিটার।

এদিকে তীব্র শীতে দিনাজপুরসহ এই অঞ্চলে আবারও শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। অসহায় ও ছিন্নমুল মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। সকালে কাজের সন্ধানে বের হওয়া নিম্নআয়ের কর্মজীবি মানুষ পড়েছে বিপাকে।

আগামীনিউজ/এসএস