Dr. Neem
Dr. Neem Hakim

সিজারের পর সন্তান ফেলে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন গৃহবধূ


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: অক্টোবর ৭, ২০২১, ০৮:৪৭ পিএম
সিজারের পর সন্তান ফেলে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন গৃহবধূ

ছবিঃ আগামী নিউজ

যশোরঃ সন্তান জন্ম দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেলেন এক গৃহবধূ (২০)। গত গত মঙ্গলবার দুপুরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটলেও আজ বৃহস্পতিবার পরিবার থানায় যোগাযোগ করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর রাত ১২টা ৫১ মিনিটে যশোর শহরের স্টেডিয়াম পাড়ার ঝুমুর (ছদ্মনাম) সন্তান জন্ম দিতে হাসপাতালে ভর্তি হন। পর দিন মঙ্গলবার দুপুর ১টায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন। এর কিছুক্ষণ পরই সন্তানকে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান ঝুমুর ।

হাসপাতালের ভর্তি তথ্যে শিশুটির বাবার নাম শাহিনুর লিখলেও প্রেমিক ইব্রাহিমকে স্বামী হিসেবে পরিচয় দেন। একই সঙ্গে তাদের বাসা যশোরের স্টেডিয়াম পাড়া উল্লেখ করা রয়েছে। জরুরি যোগাযোগের জন্য দেওয়া ফোন নম্বরে কল দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর শিশুটি দুইদিন হাসপাতালের সেবিকাদের তত্ত্বাবধানে ছিল।

স্বজনরা সম্মানহানীর ভয়ে থানায় যোগাযোগ না করে ঝুমুরকে আত্মীয়-স্বজনের সহায়তায় সন্ধান করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাকে না পেয়ে পুলিশের সহযোগিতায় শিশুটির নানা-নানির সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ শিশুটিকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।

বিষয়টি নিয়ে শিশুটি বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে শিশুটির নানা জানিয়েছেন, ২০২০ সালে ঝুমুরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ঝুমুর স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় থাকতো। কিছুদিন আগে সন্তান প্রসবের সময় হলে ঝুমুর মাগুরায় তাদের বাড়ি আসে। এসময় ঝুমুরের সঙ্গে ভোলা সদরের খয়েরতলা এলাকার ইব্রাহিম নামে এক যুবকের পরিচয় হয়। ইব্রাহিম ঝুমুরকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তাকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহম্মেদ বলেন, শিশুটিকে পুলিশের মধ্যস্থতায় তার নানা-নানি ও বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ভালো আছে।

এ ঘটনায় যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইব্রাহিম আর ঝুমুরকে আমরা খুঁজছি। বর্তমানে শিশুটি তার নানা-নানির কাছে রয়েছে।’

আগামীনিউজ/শরিফ