Dr. Neem
Dr. Neem Hakim

সৈয়দপুরে যুদ্ধাপরাধীদের চক্রান্তের প্রতিবাদে আ’লীগের সংবাদ সম্মেলন


আগামী নিউজ | জিকরুল হক, উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১, ০২:২৬ পিএম
সৈয়দপুরে যুদ্ধাপরাধীদের চক্রান্তের প্রতিবাদে আ’লীগের সংবাদ সম্মেলন

ছবিঃ আগামী নিউজ

নীলফামারী: জেলার সৈয়দপুরে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড জনসম্মুখে তুলে ধরা ও যুদ্ধাপরাধীদের নতুন চক্রান্তের প্রতিবাদে বুধবার(২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধা ৭ টায় শহরের শেরে বাংলা সড়কে অনুষ্ঠিত হবে জনসভা। এই কর্মসূচি সফল করতে মঙ্গলবার দুপুরে আ’লীগের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য তুলে ধরেন উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, পৌর আ’লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, আ’লীগ নেতা অধ্যক্ষ সাখাওয়াত হোসেন। এদিন সেখানে উপস্থিত ছিলেন পৌর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরকার মো. কবির উদ্দিন ইউনুস, যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাকুর রহমান বসুনিয়া, আ’লীগ নেতা প্রকৌশলী একেএম রাশেদুজ্জামান রাশেদ, মৎস্যজীবী লীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হাসান মামুন তালুকদারসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, কৃষকলীগ ও তাতীলীগের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় আ’লীগের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্বতা ঘোষণা করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধারা। উপজেলা ও পৌর আ’লীগ আয়োজিত আজকের জনসভায় প্রধান অতিথি থাকবেন সংরক্ষিত আসনের এমপি বর্ষিয়ান আ’লীগ নেতা রাবেয়া আলীম। সংবাদ সম্মেলনে মহসিনুল হক মহসিন তার বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা দলকে রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করতে আন্দোলনে নেমেছি। জনগণ আমাদের পাশে থেকে সমর্থন দিচ্ছে। পৌর আ’লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কুখ্যাত রাজাকার নঈম খানের ছেলে দিলনেওয়াজ খানকে আমরা স্থানীয়ভাবে বহিষ্কার করেছি। তার বাবা ৭১ সালে পার্বতীপুরে অনেক নারকীয় হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। বদরগঞ্জের সবচেয়ে বড় হত্যাকান্ডের নায়ক ছিলো ওই দিলনেওয়াজ খানের বাবা রাজাকার নঈম খান। আমরা তার বহিষ্কারাদেশ দ্রুত কার্যকর করার জন্য দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারক মহলের দৃঢ় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, দলকে কলঙ্কমুক্ত ও মুক্তিযোদ্ধার ঋণ শোধ করতেই আমরা আ’লীগসহ সকল সহযোগি সংগঠনকে রাজাকার মুক্ত করতে চাইছি। যতদিন দল রাজাকার মুক্ত হবে না ততদিন বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে না। মোজাম্মেল হক তার বক্তব্যে বলেন, দল ও কেন্দ্রীয় নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ব্যবসা, নারী নির্যাতন করবে তা কখনও আ’লীগ মেনে নেবে না। আর এদের প্রশয়দাতাদেরও দেয়া হবে না ছাড়। তিনি আরও বলেন, আ’লীগে অনুপ্রবেশকারী কুখ্যাত রাজাকার নঈম খানের পুত্র দিলনেওয়াজ খানের নাম নিয়ে সৈয়দপুরের পবিত্র মাটি আমি অপবিত্র করতে চাই না। অধ্যক্ষ সাখাওয়াত হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ঠিকানাহীনদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প করেছেন। বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। যাতে এসব মানুষ সম্মানের সাথে সমাজে বেঁচে থাকতে পারে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, ১০ টাকায় চাল এবং ওএমএস কর্মসুচি চালু করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। সে কারণে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ শান্তিতে ঘুমাচ্ছে। রক্তে গড়া এই দলের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীর কোন সন্তান কখনও সম্পৃক্ত থাকতে পারে না। তাই সময় এসেছে দেশ ও জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করতে দলকে রাজাকার মুক্ত করতে হবে।