Agaminews
Dr. Neem
Dr. Neem Hakim

দুপচাঁচিয়ায় কয়েক‍‍`শ শ্রমিকের টানা ৬ মাসের কর্মসংস্থান


আগামী নিউজ | দেওয়ান পলাশ, দুপচাঁচিয়া ( বগুড়া) প্রতিনিধি প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২১, ০৬:৪২ পিএম
দুপচাঁচিয়ায় কয়েক‍‍`শ শ্রমিকের টানা ৬ মাসের কর্মসংস্থান

ছবি : আগামী নিউজ

বগুড়াঃ জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় কিছুদিন আগে বন্ধ থাকা চাতাল মিলগুলোতে শ্রমিকদের কর্মমুখরতায় ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্যতা। নতুন বোরো ধান কে ঘিরে এসব চাতাল মিলে কয়েক'শ শ্রমিকের ভাগ্যে জুটেছে টানা ৬ মাসের কর্মসংস্থান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একসময়ের লাভজনক  ব্যবসা হিসাবে দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ১২০০ এর অধিক চাতাল (ড্রাম বয়লার) ও হাসকিং মিল চালু ছিল। কিন্তু ধানের সংকট, পুঁজির স্বল্পতা, শ্রমিক সংকট, অটোরাইস মিলের প্রভাবসহ বিভিন্ন কারনে বন্ধ হয়ে গেছে বেশিরভাগ চাতাল মিল।

দুপচাঁচিয়া উপজেলার সাহারপুকুর এলাকার চাতাল ব্যবসায়ী নারায়ন চন্দ্র লালু আগামী নিউজ কে বলেন, বর্তমানে প্রায় ২৫০ টি চাতাল মিল চালু রয়েছে। তবে নতুন বোরো ধান কে ঘিরে এসব চাতাল মিলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। একটি চাতাল মিলে ধান থেকে চাউল প্রক্রিয়াজাতকরনের জন্য ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিকের দরকার হয়।

চাতাল ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, শ্রমিকরা টানা ৬ মাস কাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। শ্রমিকদের  কাজে যোগদান করানোর জন্য জনপ্রতি আগাম ৭ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এই ৬ মাসের প্রত্যেক দিন তারা মজুরি পাবেন। তাছাড়া সপ্তাহে দু'দিন হাটবারে শ্রমিকদের অতিরক্ত ৯০০ টাকা করে দিতে হবে।

শ্রমিকরা এ বিষয়ে আগামী নিউজ কে জানায়, আগাম ৭ হাজার টাকা ও সপ্তাহে দু'দিন ৯০০ টাকার বাইরে ধান শুকানো, সিদ্ধ এবং ওজন করে বস্তায় ভরানো বাবদ চাউলের প্রতি মনে তারা ২৬ টাকা করে পেয়ে থাকে। নারী ও পুরুষ শ্রমিক একই হারে মজুরি পেয়ে থাকে।

নতুন বোরো ধান তাদের জীবন জীবিকায় কিছুটা স্বচ্ছলতা এনে দিয়েছে বলেও জানায় শ্রমিকরা।