Agaminews
Dr. Neem
Dr. Neem Hakim
করোনাকালে

মাছ ও রেনুতে স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা


আগামী নিউজ | শামীম হোসেন সামন, দোহার-নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ৪, ২০২১, ০৩:৪৩ পিএম
মাছ ও রেনুতে স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা

ছবি: আগামী নিউজ

ঢাকা: মাছে ভাতে বাঙ্গালি বলেই মাছ চাষের বিকল্প নেই,। দেশের মাছের চাহিদা মেটাতে মৎস্য চাষীদের ভূমিকা অনেক। একদিকে করোনা, অন্যদিকে লকডাউন। এমন অবস্থায় মাছের রেনু উৎপাদন ও মাছ চাষে থেমে নেই ঢাকা জেলার মৎস্য চাষীরা। এছাড়া দোরগোড়ায় সর্বক্ষণ পাচ্ছেন মৎস্য অধিদপ্তরের নানা পরামর্শ। 

এপ্রিল-জুলাই মাস পর্যন্ত মাছের রেনু উৎপাদনের সঠিক সময়। এ সময়টা একদিকে লকডাউন, অন্যদিকে করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি। এতে মাছ চাষ নিয়ে এপ্রিলের শুরুর দিকে অনেকটাই বিপাকে পড়তে হয়েছিল ঢাকার জেলার মৎস্য চাষীদের। এমন পরিস্থিতিতে মৎস্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় ঢাকা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মামুনুর রশীদের সঠিক দিক নির্দেশনায় মাঠে ছিল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা। মাছ চাষে উদ্ধুদ্ধ করতে চাষীদের  নিয়মিত নিয়েছেন খোঁজখবর। দিয়েছেন নানা ধরনের পরামর্শ। দোরগোড়ায় পরামর্শ পেয়ে মাছ চাষে এখন সফলতার স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা। 

এপ্রিলের শেষ সময়ে ঢাকার দোহার- নবাবগঞ্জসহ অন্যান্য উপজেলা ঘুরে দেখা যায় করোনাকালে রেনু উৎপাদনে চাষীরা পেয়েছে সফলতা। হয়নি বড় ধরনের কোন সমস্যা। সঠিক পরামর্শ পেয়ে এসব রেনু পলিব্যাগে অক্সিজেন দিয়ে মোড়কীকরণের পর গাড়িতে করে চলে যাচ্ছে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায়। 

এই রেনু থেকে মিটাবে দেশের মাছের চাহিদা। এছাড়া রমজানের প্রথম দিন থেকে প্রতিটি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ মাছের গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখান থেকে ন্যায্যমূল্যে মাছ কিনছে ক্রেতারা।  ভ্রাম্যমাণ মাছের গাড়ির কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না সেগুলো নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা। এমন কি চাষীদের পাইকারী মাছ বিক্রি করতেও তারা সহযোগিতা করছেন। দেশের এই করোনাকালীন সময়ে মৎস্য দপ্তরের সঠিক পরামর্শ না পেলে ভালো রেনু উৎপাদন করা যেত না। এমনকি করোনাকালে মাছ চাষে সর্বক্ষণ পরামর্শ পেয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তাদের। এমনটাই বলছেন মৎস্য চাষীরা।

নবাবগঞ্জের হ্যাচারী মালিক সুভাষ চন্দ্র সরকারসহ ঢাকা জেলার অন্যান্য মাছ চাষীরা জানিয়েছেন, এ বছর করোনার এমন মহামারী সময়েও রেনু উৎপাদনে তেমন কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। সর্বক্ষণ পেয়েছি মৎস্য দপ্তরের পরামর্শ।

ঢাকা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, করোনাকালীন সময়ে ঢাকার নবাবগঞ্জসহ অন্যান্য উপজেলায় মাছ চাষীদের পাশে থেকে সর্বক্ষণ পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে মৎস্য অফিস। এমনকি করোনাকালীন সময়ে চাষীদের মাছ বিক্রি করতে হয়নি কোন সমস্যা। এছাড়া  ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে ন্যায্যমূল্যে প্রতিনিটি উপজেলায় মাছ বিক্রির ব্যবস্থা সঠিকভাবে চলছে বলেও জানান তিনি।

আগামীনিউজ/নাহিদ