Agaminews
 অমর একুশে
Dr. Neem Hakim

দৃশ্যমান হচ্ছে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’


আগামী নিউজ | নাহিদ আল মালেক, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১, ১০:২৫ এএম

বগুড়াঃ মুজিববর্ষে ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্যচিত্র’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শস্যচিত্র দৃশ্যমান হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বালেন্দা গ্রামের ১২০ বিঘা জমিতে সৃষ্টিকরা শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ফুটে ওঠে। উপর থেকে ধারণ করা চিত্রে দেখা যায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে। তবে এটি পরিপূর্ণ রূপ পেতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে। আর ধান কাটা পর্যন্ত ১৬০দিন থাকবে এই বিশ্ব রেকর্ড প্রত্যাশী শস্যচিত্র।

শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু এর প্রধান সমন্বয়ক ফয়জুল সিদ্দিকী জানান, চারা রোপনের ১৯ দিন পর জাতির পিতার প্রতিকৃতি ফুটে উঠতে শুরু করেছে। চারা যত বড় হবে ততই পরিস্ফুট হয়ে উঠবে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু। পাখির চোখে ২ হাজার মিটার উপর থেকে দেখা মিলবে জাতির পিতার প্রতিকৃতি।

তিনি আরো জানান, ১২ লাখ ৯২ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে ধানের জমিতে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে জাতির পিতার প্রতিকৃতি। শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের উদ্যোগে এবং ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ারের সহযোগিতায় গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের লার্জেস্ট ক্রপ ফিল্ড মোজাইক (ইমেজ) শাখার নতুন রেকর্ড হবে এটি। বর্তমানে রেকর্ডটি চীনের দখলে। ১৯১৯ সালে ৭৯ হাজার ৫০৫.১৯ বর্গমিটার আয়তনের জমিতে চার রঙের ধানের চারায় কাউ ফিশের ছবি ফুটিয়ে তুলে সাংহাইয়ের লেজিদাও টুরিজম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিডেট ওই রেকর্ড গড়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারি বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামের কৃষি জমি লীজ নিয়ে শস্যচিত্র সৃষ্টিতে চারা রোপনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। এটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। এসময় শস্যচিত্রে বাংলাদেশ জাতীয় পরিষদের আহ্বায়ক ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক কৃষিবিদ আফম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এতে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিএনসিসির ১০০ জন সদস্য এবং ৫০ জন শ্রমিক-কর্মচারী মিলে ১০৫ বিঘা জমিতে একসপ্তাহে চারা রোপন সম্পন্ন করেন। চীন থেকে আমদানি করা বেগুনি রংয়ের ধান এবং দেশীয় সবুজ জনকরাজ ধানের চারা দিয়ে বঙ্গবন্ধুর অবয়ব দৃশ্যমান করা হচ্ছে। ধান পাকার পর গোঁফ, চোখ, চুল, ভ্রু খয়েরি আর অন্য অংশ সোনালি রঙের হবে। এসব কার্যক্রমে খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা।

আগামীনিউজ/এএস