Dr. Neem on Daraz
Victory Day

আফগানিস্তানকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ


আগামী নিউজ | ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৩, ০৭:৪৪ পিএম
আফগানিস্তানকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

ঢাকাঃ সাগরিকায় চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। আর ঘরের মাঠে ওয়ানডে খেলা মানেই আধিপত্য বাংলাদেশের। চন্ডিকা হাথুরুসিংহের দলের গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান সেই কথাই বলে। তবে আজ মুদ্রার উল্টো পিট দেখতে হয়েছে সাকিব-তামিমদের। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগানদের বোলিংয়ে তোপে দাঁড়াতেই পারেনি টাইগাররা। দুই দফায় বৃষ্টি নামায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসে ৭ ওভার। বৃষ্টি আইনে নির্ধারিত ৪৩ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।

সাগরিকায় টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেয় দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। এ জুটিতে গড়েন ৩০ রান। কিন্তু ফারুকির ব্যক্তিগত চতুর্থ ওভারেই হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়েন তামিম। অফ-স্টাম্পের বাইরের বলটি কাট করে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে গর্জে ওঠার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তামিম। কিন্তু এবার বেশ খানিকটা লাইন পরিবর্তন করলেন ফারুকি, এই বলে আলতো করে ব্যাট চালিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনেন টাইগারদের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার।

আর তামিমকে ফিরিয়ে পাওয়ার প্লেতেই প্রথম উইকেটের দেখা পেয়ে যায় আফগানিস্তান। ১৩ রানে ফেরেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। দলীয় ৩০ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতে তামিম ফেরার পর চাপ সামলে নিয়ে খোলস ছেড়ে বের হতে শুরু করেন লিটন দাস। কিন্তু বের হওয়ার আগেই তাকে থামতে হয় মুজিব উর রহমানের শিকার বনে। মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান।

লিটনের বিদায়ের পরপরই মাঠ ছাড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যর্থতার বেড়াজাল ছিড়ে বের হতে ব্যর্থ হয়ে এবারও তাকে মাঠ ছাড়তে হয় ১২ রান করে। এরপর চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে আসে তৌহিদ হৃদয়। তাকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হসান। এ দুই জনের জুটিতে দলীয় শতরান পার করে টাইগাররা। 

তবে দলীয় শতরান করে বেশিক্ষণ উইকেটে থিতু হতে পারেননি সাকিব। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের করা বলে দলীয় ১০৯ রানে আউট হন টাইগার অলরাউন্ডার। এতে হৃদয়ের সঙ্গে সাকিবের জুটি থামল ৩৭ রানে। ৩৫ বলে ১৪ রান করেন সাকিব আল হাসান। এর পর পঞ্চম উইকেটে আসেন মিষ্টার ডিপেন্ডবল মুশফিকুর রহিম। তবে উইকেটে এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি এই মুশফিক। সাকিবের আউট হওয়ার তিন রান ব্যবধানে রশিদ খানের করা বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। ৩ বলে করেন ১ রান। 

ষষ্ট উইকেটে আসেন এর আগে দুই সিরিজে বাদ পরা বাঁহাতি ব্যাটার আফিফ হোসেন। আজ নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ ছিলো এই ক্রিকেটারের। তবে ব্যর্থ হন আফিফ। রশিদের লেগ স্পিন ব্যাকফুটে ভর করে ঘুরিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন আফিফ, তবে মিস করে প্যাডে লাগে বাঁহাতি এই ব্যাটারের। আম্পায়ার প্রথমে সাড়া দেননি।

তবে আফগানিস্তান রিভিউ নিলে, বল ট্র্যাকিংয়ে আউট হন টাইগার এই ব্যাটার। ফলে ৪ রান করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর ক্রিজে নেমে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। ৫ রান করে ফজল হক ফারুকির বলে লেগ বি ফোরের ফাঁদে পড়েন এই অলরাউন্ডার। এরপর সপ্তম উইকেটে তাসকিন আসলেও বেশিক্ষণ স্থীর হতে পারেননি। দলীয় ১৫৩ রানে এলবিডব্লিউ ফাদে পরে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। 

পরে থিতু হয়ে খেলতে থাকা হৃদয় নিজের অর্ধশত রান তুলে বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারেননি। দলীয় ১৬৪ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। শেষদিকে ৪৩ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানে থামে স্বাগতিকদের ইনিংস। 

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন হৃদয়। আফগানিস্তানের হয়ে ৩টি উইকেট নেন ফজল হক ফারুকি। দুইটি করে উইকেট নেন রশিদ খান ও মুজিবুর রহমান।  

বুইউ

আগামী নিউজ এর সংবাদ সবার আগে পেতে Follow Or Like করুন আগামী নিউজ এর ফেইসবুক পেজ এ , আগামী নিউজ এর টুইটার এবং সাবস্ক্রাইব করুন আগামী নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে