Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

ফিফটি করে ফিরলেন তামিম, দুর্ভাগ্যজনক রানআউট বিজয়


আগামী নিউজ | ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: আগস্ট ৭, ২০২২, ০২:৫১ পিএম
ফিফটি করে ফিরলেন তামিম, দুর্ভাগ্যজনক রানআউট বিজয়

ঢাকাঃ তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়ের উদ্বোধনী জুটিতে উড়ন্ত সূচনা পেয়েছিল বাংলাদেশ দল। প্রথম পাওয়ার প্লে'তেই ৬২ রান করে ফেলেছিল টাইগাররা। কিন্তু তিন ওভারের মধ্যে দুই ওপেনার বিদায়ে হঠাৎ করেই চাপে পড়ে গেলো সফরকারীরা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২০.৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১২০ রান। উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে আছেন মুশফিকুর রহিম। 

ক্যারিয়ারের ৫৫তম ফিফটি হাঁকিয়ে ৪৫ বলে ৫০ রান করে আউট হয়েছেন তামিম। এনামুল বিজয়ের ব্যাট থেকে এসেছে ২৫ বলে ২০ রান।

ফিফটি হাঁকিয়ে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিলেও, এরপর বেশিক্ষণ উইকেটে থাকা হয়নি তামিমের। ইনিংসের ১১তম ওভারে বড় বাউন্ডারির দিকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে ধরা পড়ে গেছেন দেশসেরা এই ওপেনার।

এক ওভার পর নাজমুল হোসেন শান্তর স্ট্রেইট ড্রাইভ বোলার তানাকা চিভাঙ্গার হাতে লেগে ভেঙে যায় ননস্ট্রাইক প্রান্তের স্ট্যাম্প। তখন ক্রিজের বাইরে ছিলেন বিজয়। ফলে দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হতে হয় বিজয়কে।

আজ হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে চলতি জিম্বাবুয়ে সফরে টানা পঞ্চমবারের মতো টস হেরেছে বাংলাদেশ দল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ইতিবাচক অ্যাপ্রোচে দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকেন তামিম। ইনিংসের তৃতীয় বলেই বাউন্ডারি হাঁকান টাইগার অধিনায়ক, এক বল পর আরও একটি।

প্রথম ওভার থেকে শুরু হওয়া এই মারমুখী ব্যাটিং পুরো ইনিংসেই টেনে নেন তামিম। প্রায় প্রতি ওভারেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানরেট সবসময় উঁচুতে রাখেন তিনি। তামিমের দাপুটে ব্যাটিংয়ের সামনে একপ্রকার দর্শকই ছিলেন বিজয়। প্রথম পাওয়ার প্লেতে মাত্র ১৬ বল খেলার সুযোগ পান এ ডানহাতি ওপেনার।

ইনিংসের দশম ওভারে নিজের দশম বাউন্ডারি হাঁকিয়ে মাত্র ৪৩ বলে ফিফটি পূরণ করেন তামিম। যেখানে ছিল থার্ড ম্যান দিয়ে একটি ছয়ের মারও। অভিষিক্ত ব্র্যাডলি ইভান্সের খাটো লেন্থের ডেলিভারিতে আপার কাট করে ছয় মারেন তামিম। সেই ওভার থেকে ১৪ রান পায় বাংলাদেশ।

তামিমের ফিফটি পূরণ হওয়ার পর ১১তম ওভারে জোড়া চার মারেন বিজয়। এর মধ্যে ওভারের তৃতীয় বলে দৃষ্টিনন্দন কভার ড্রাইভে মাঠে উপস্থিত দর্শকদের বাহবা কুড়ান এ ডানহাতি ওপেনার। তবে সেই ওভারেই শেষ বলে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে ধরা পড়েন তামিম। মাঠের সেই পাশে বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ মিটার।

অধিনায়ককে হারানোর পর বিজয় ও শান্তর কাঁধে আসে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব। ইনিংসের ১৩তম ওভারের প্রথম বলে দারুণ ড্রাইভে সেই মিশনে নিজেকে প্রস্তুত ঘোষণা দেন শান্ত। কিন্তু এক বল পর তার স্ট্রেইট ড্রাইভ তানাকা চিভাঙার হাতে লেগে ননস্ট্রাইক প্রান্তের স্ট্যাম্প ভেঙে দেয়।

ক্রিজের বাইরে দাঁড়িয়ে সেটি স্ট্যাম্পে আঘাত করতে দেখেন বিজয়। কিন্তু ব্যাট ভেতরে ঢোকানোর মতো সময় তিনি পাননি। ফলে ২০ রানেই থেমে যায় বিজয়ের ইনিংস।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেরে যাওয়া প্রথম ওয়ানডের দল থেকে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ একাদশে এসেছে ৩ পরিবর্তন। সে ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন সফরকারীদের শীর্ষ দুই ব্যাটসম্যান-বোলার লিটন দাস ও মুস্তাফিজুর রহমান।

লিটনের সিরিজটাই শেষ হয়ে গেছে, শঙ্কা আছে এশিয়া কাপ নিয়েও। মুস্তাফিজের চোটটা অত বড় না হলেও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তাকে পাচ্ছেন না অধিনায়ক তামিম।

এর ফলে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ একাদশে আনতে হতো দুটো পরিবর্তন। লিটন দাসের বদলে একাদশে এসেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, আর পেসার মুস্তাফিজের বদলে একাদশে ঢুকেছেন তাইজুল ইসলাম।

এমবুইউ