Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

আসিথার দুর্দান্ত ফিরতি ক্যাচে ফিফটির পর সাজঘরে লিটন


আগামী নিউজ | ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: মে ২৭, ২০২২, ০১:২২ পিএম
আসিথার দুর্দান্ত ফিরতি ক্যাচে ফিফটির পর সাজঘরে লিটন

ঢাকাঃ লিটন দাসের দারুণ ইনিংসের সমাপ্তি। লাঞ্চ থেকে ফিরেই আউট হয়ে গেছেন এই ব্যাটার। বোলার অসিথা ফার্নান্ডোকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন প্যাভিলিয়নে। যাওয়ার আগে অবশ্য করে করেছেন হাফসেঞ্চুরি।

আজ (শুক্রবার) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিকদের স্কোর ৪৯ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৭। তাতে লিড নিয়েছে ১৬ রানের। ব্যাট করছেন সাকিব আল হাসান (৫৬*) ও মোসাদ্দেক হোসেন (০*)। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩৬৫ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা করেছে ৫০৬ রান।

প্রচণ্ড চাপের মধ্যে অসাধারণ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন প্রথম ইনিংসে। দ্বিতীয় ইনিংসে একই পরিস্থিতিতে আবারও দাঁড়িয়ে যান লিটন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আরেকটি স্মরণীয় ইনিংসের ইঙ্গিত ছিল তার ব্যাটে। কিন্তু লাঞ্চ বিরতির পর খেই হারালেন। দ্বিতীয় সেশনের দ্বিতীয় ওভারেই আউট তিনি। অসিথাকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৫২ রানে বিদায় নেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।

সাকিব-লিটনের দৃঢ়তায় লিড

সকাল সকাল বিদায় নিলেন মুশফিকুর রহিম। তাতে শঙ্কার মেঘ আরও জমাট বাঁধে। তবে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের দৃঢ়তায় ক্রমশই আলোতে ফিরতে থাকে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে শ্রীলঙ্কার রান টপকে দ্বিতীয় ইনিংসে লিড নিয়েছে স্বাগতিকরা।

আগের দিন ৪ উইকেট হারিয়ে এমনিতেই কোণঠাসা ছিল বাংলাদেশ। এর ওপর শেষ দিনে দ্রুত আরেকটি উইকেট হারিয়ে বসলে চাপ আরও বাড়ে। তবে ক্রিজে এসেই জাদু দেখাতে থাকেন সাকিব। ব্যাট হাতে তিনি চড়াও হয়ে ওঠেন শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর। খেলতে থাকেন ওয়ানডে মেজাজে। অন্যপ্রান্তে লিটন তখন ধরে খেলার মানসিকতায়। তাদের জুটিতে লাঞ্চ বিরতির আগে এসেছে ৯৬ রান।

প্রথম সেশনে হাফসেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন সাকিব। সকালের সেশনের শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম হাফসেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। ৬১ বলে মাইলফলকটিতে পৌঁছাতে তিনি মেরেছেন ৭ বাউন্ডারি।

দিনের শুরুতেই মুশফিকের বিদায়

কঠিন বিপদে হাল ধরেছিলেন দলের। অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে লজ্জার হাত থেকে বাংলাদেশকে বাঁচানোর সঙ্গে বড় সংগ্রহ গড়তে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় ইনিংসে যখন আবারও দলের একই অবস্থা, তখন তার ওপর প্রত্যাশা বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে এবার আর পারলেন না মুশফিক। পঞ্চম দিনের শুরুতেই আউট হয়ে গেছেন তিনি।

প্রথম ইনিংসে ২৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে প্রতিরোধ শুরু করেছিলেন মুশফিক। পরিস্থিতির দাবি মিটিয়ে সত্যিকার টেস্ট মেজাজে ব্যাটিং করে দলকে নিয়ে যান সম্মানজনক জায়গায়। আর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে খেলেন চোখ জুড়ানো এক ইনিংস। শ্রীলঙ্কা তাকে আউটই করতে পারেনি। খেলেন হার না মানা ১৭৫ রানের ঝলমলে ইনিংস। সেই মুশফিকের হাত ধরে বাংলাদেশ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে, এই প্রত্যাশা থাকাই স্বাভাবিক। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি।

২৩ রানে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে চতুর্থ দিনের শেষ সময়টা আগলে রেখেছিলেন তিনি। তবে পঞ্চম দিনে বেশিদূর যেতে পারেননি। সকালে কাসুন রাজিথার বলে বোল্ড হয়ে ফিরে গেছেন প্যাভিলিয়নে। যাওয়ার আগে মুশফিক ৩৯ বলে ৪ বাউন্ডারিতে করেন ২৩ রান।

এমবুইউ