Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim
দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং মামলার

চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি ক্রাউন রেজার ইকর্মাসের নামে ভয়াবহ প্রতারণা!


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: জানুয়ারি ৪, ২০২২, ১০:৫৫ পিএম
চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি ক্রাউন রেজার ইকর্মাসের নামে ভয়াবহ প্রতারণা!

ফাইল ছবি

ঢাকাঃ ডেসটিনি ২০০০ মাল্টি লেভেল কোম্পানির  দুর্নীতি দমন মামলার চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি  প্রকাশ্যেই করছে অবৈধ এম এল এম ব্যবসা, সরকারি  প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো ব্যবহার করে  বিক্রি করছে   করোনার  ও যৌন উত্তেজক ক্ষতিকর সামগ্রী , প্লট বিক্রি, 'ক্রাউন বাজার' নামে ডিলারশীপ প্রদান ও অতি লাভজনক বিনিয়োগের নামে করছে প্রতারণা আর সংগৃহীত অর্থ পাচার করছে মালয়েশিয়া ও দুবাইয়ে।

কলাবাগান থানার মামলা নাম্বার ৩৩(৭)/১২ এবং দুর্নীতি দমন বিভাগের মানি লন্ডারিংযের বিশেষ জজ আদালতের বিশেষ মামলা নাম্বার ১৭/ ১৬ এর চার্জশিট ভুক্ত পলাতক আসামি এ.এইচ.এম আতাউর রহমান রেজা, যিনি বর্তমানে ক্রাউন টাচ গ্লোবাল লিঃ নামক আরও একটি অবৈধ  মাল্টিলেভেল  প্রতিষ্ঠানের কর্নধার এবং মাওয়া রোডে ধরিএী প্রোপার্টিজ লিঃ এর এমডি হিসেবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলা মটরের মত অভিজাত এলাকায় রুপায়ন টাউয়ারের ৭তলায় তিন লাখ টাকা ভাড়ায় বিলাসবহুল সুসজ্জিত অফিস এবং শামছুন্নার  কমপ্লেক্স,৬-এ,৩১/সি, তোপখানা রোড, সেগুন বাগিচায় আরও একটি অফিস নিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় চালাচ্ছেন তার এই অবৈধ ও প্রতারনামুলক কারবার।

জানা যায়, ইকর্মাস নামক প্রতারনা বানিজ্য প্রশাসনের নজরে এলে সাম্প্রতিক তিনি তার অফিস রূপায়ান টাওয়ার থেকে  গুটিয়ে নিয়ে সেগুনবাগিচায় একই কায়দায় প্রতারনা মূলক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

কে এই এ এইচ এম আতাউর রহমান ? 

এ এইচ এম আতাউর রহমান ওরফে ক্রাউন রেজা, পিতাঃ মৃত সারোয়ার  রহমান, মাতাঃ মৃত জোসনা বেগম, স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রামঃ সেমড়া, পোস্টঃচান্দুরা, থানাঃ বিজয় নগর, জিলাঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জাতিয় পরিচয় পত্র নং ১২১১৩২৮৪০৯৩৮৪, পাসপোর্ট নাম্বার- এ এইচ  এমডি আতাউর রহমান- বি কে০৮৬৩৪১৬, মোবাইল নাম্বার ০১৬৩০৩১৪১৯৬ এছাড়াও তিনি ০১৬২৯৮৭৪২৩৭, ০১৭০১৭৩৭৭৬৬০ এবং ০১৭১১৩৩৫৮৫৩ মোবাইল নাম্বারগুলো ব্যবহার করে থাকেন। এই  এ.এইচ.এম আতাউর রহমান রেজা, ওরফে ক্রাউন রেজা, যিনি  বর্তমানে ক্রাউন টাচ গ্লোবাল লিঃ নামক প্রতিষ্ঠানের কর্নধার এবং মাওয়া রোডে ধরিএী  প্রোপার্টিজ লিঃ এমডি হিসেবে  বহাল তবিয়তে প্রতারণামূলক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বাংলামটর ও সেগুন বাগিচায়।

ক্রাউন রেজা নামে খ্যাত এই ব্যক্তি  ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের একজন ক্রাউন এক্সিকিউটিভ এবং ডেসটিনি মাল্টি-পারপাস কোঅপারেটিভ এর কোষাধক্ষ ছিলেন। যিনি বিলুপ্ত  ডেসটিনি ২০০০ লিঃ কোম্পানির দুর্নীতি মামলার একজন  ফেরারী আসামী হিসেবে পলাতক আছেন। যেখানে ডেসটিনি ২০০০ লিঃ এর অর্থ- আত্মসাৎ মামলায় প্রতিষ্ঠানটির  কর্ণধার সাজা প্রাপ্ত হয়ে জেল  খাটছেন  সেই  অবস্থাতেও তিনি প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দিখিয়ে দিব্বি ঘুরে বেডাচ্ছেন এবং অবৈধ  ব্যবসা ও  ভয়াবহ  প্রতারনার মাধ্যমে বিদেশে অর্থ  পাচার করছেন। এছাড়া তিনি ধরিএী প্রোপার্টিজ লিঃ এর জমি এবং প্লট বিক্রির নামে শতশত মানুষদের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেই যাচ্ছেন । প্লট বুঝে না পেয়ে গ্রাহক  তাদের  টাকা ফেরত চাইলে নানা রকম ভয়ভীতি  এবং গুম করার   হুমকি দিচ্ছে ফলে তারা ভীষণ আতঙ্কে  আছে। এই ল্যান্ডের  নামে জনগন থেকে যে টাকা আমানত রাখা হচ্ছে এর বিরুদ্ধেও তার  নামে একাধিক মামলা ও রয়েছে বলে এক সূত্রে  জানা গেছে কিন্তু অজ্ঞাত কারনে প্রশাসন তার  কোন প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছে না ফলে ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এসব অবৈধ টাকায় তার রয়েছে ঢাকায় নামে বেনামে একাধিক দামি ফ্লাট ও বিলাসবহুল গাড়ি। 

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএস আই আর) 
এর নাম  ও লোগো ব্যবহার করে করোনা ও যৌন উত্তেজক সামগ্রীর বিজ্ঞাপন দিয়ে  প্রতারণা !
 

 

এই আতাউর রহমান রেজা  বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএস আই আর) এর নাম  ও লোগো ব্যবহার করে ফেসবুক,ওয়েবসাইট ও  জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলে করোনা ও যৌন উত্তেজক সামগ্রীর বিজ্ঞাপন দিয়ে ভয়াবহ প্রতারণা করে চলেছেন।  “ সিটিজিএল  পেন্টাগন” নামে মাত্র ১০০ গ্রাম কিসমিস বোতলে ভরে মেডিসিন  বলে বিক্রি করছে ১৯,৯৯৯ টাকায়। যেখানে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএস আই আর) কতৃক টেস্টেড এন্ড   সার্টিফাইড বলে প্রচার করা হচ্ছে। অথচ বিসিএস আই আর কোন দ্রব্যসামগ্রির অনুমোদনকারী  কর্তৃপক্ষ নয় বরং তাদের টেস্ট রেজাল্ট বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করারও অনুমতি নেই। কিন্তু কোন ক্ষমতা বলে জনাব  রেজা  এ কাজ করছেন  তা  বোধগম্য নয়। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ সরকারের এই প্রতিষ্ঠানকে মেইলের মাধ্যমে  জানালে তারা কোন জাবাব দেননি যা রহস্যজনক! 

এ বিষয়ে আগামি নিউজের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদক টেলিভিশনের বিজ্ঞাপন, ফেসবুক  ও ওয়েব সাইটের ভিডিও এবং লিফলেট পাঠায়ে এই প্রতিষ্ঠানের একজন বিজ্ঞানির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান- বিষয়টি  ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষ কে অবগত করেছেন এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে এখনও  ব্যবস্থার নজির দেখা যায়নি। 

নামে-বেনামে ব্যবসা পরিচালনাঃ  প্রতারনার কৌশল হিসেবে কখনো তার নিজ নামে, কখনো তার স্ত্রী , বোন, ভাগ্নে বা আত্মীয়ের নামে  তিনি ব্যবসা পরিচালনা করেন। ইতিপূর্বে তিনি   মৈত্রী  প্রপারটিস,( নোয়াখালী টাউয়ার, পুরানা পল্টন), সেরাজেম( মালিবাগ), নিরাপদ হাসপাতাল ( মালিবাগ মোড়, সি আই ডি অফিসের পাশে),  পুষ্প ধারা হাউজিং( সিদ্ধেশরী),উদ্যোগ প্রপারটিজ লিঃ, ৪৫ বিজয় নগর ঢাকা  সহ আরও অনেক  কোম্পানি খুলে বিভিন্ন ভাবে মানুষকে প্রতারনা করে সর্ব শান্ত করেছেন।

ভুয়া শোরুমঃ কাওরান বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য কিনে এনে  অফিসে সাজিয়ে “ক্রাউন বাজার” নামে ভুয়া শোরুম দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা করে নিয়েছে এবং এখন ও নিচ্ছে । ইতিমধ্যেই ৮ জনের থেকে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে এক তথ্যে জানা গেছে।

বাজার মূল্যের চেয়ে  অস্বাভাবিক  উচ্চ দামে  পণ্য  বিক্রি ও নকল পণ্য  তৈরিঃ
 জানা গেছে এই রেজা  একটি সুনামধন্য কোম্পানির পণ্য   মাত্র     ২৭৫/ - ৪৪০/  টাকায় কিনে ৭৩৫০/- ২৬,৩৮০/ টাকায়  বিক্রি এবং ওই পণ্যের নকল  পণ্য তৈরী করে। এই অপরাধে প্রতিষ্ঠানটি তার সাথে ব্যবসা বন্ধ করে পত্রিকায় সংবাদ/ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।   এই ওয়েব সাইট www.crowntouchglobal.com এবং FB: crowntouchglobal  তে ভিজিট করলেই তার প্রমান পাওয়া যাবে। 

বিনিয়োগ এর নামে অন্যের কোম্পানির প্রকল্প  ও ফ্যাক্টরি দেখিয়ে প্রতারণাঃ
এই ক্রাউন রেজা বিভিন্ন সময়  যেসব  কোম্পানির থেকে পণ্য কিনে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করেছেন সেই সব কোম্পানিতে তার মালিকানা রয়েছে বলে বিনিয়োগকারিদের কাছে প্রচার এবং তাদের নিয়ে ঐ কোম্পানির খামার ও কারখানা পরিদর্শন করিয়ে বিশ্বাস অর্জন করে প্রতারণা করেছেন ফলে ঐ কোম্পানি তার সাথে ব্যবসা বন্ধ করে  আর মালামাল বিক্রি করছে না।

মালায়েশিয়ায় অর্থ পাচারঃ  শুধু তাই নয় ইতিমধ্যেই তিনি মালেয়শিয়ায় জিটিসিএল নামে আর ও একটি কোম্পানি খুলে পাচার করেছেন বিপুল পরিমান অর্থ । যাদের নিয়ে তিনি এই চক্র গড়ে তুলেছেন তাদের অনেকেই ডেসটিনি মামলার পলাতক আসামি এবং ডায়মন্ড বলে খ্যাত । কুয়ালালামপুরের অভিজাত এলাকা বলে খ্যাত বুকিত বিন্তাং এ পরিচালনা করছেন একটি বিলাস বহুল অফিস আর সেখানের দায়িত্বে আছেন তারই অতীত কুকর্মের সহযোগী এবং আদম ব্যাপারী জাকির। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জানা যায় ইতিমধ্যেই অন্তত ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকা তিনি বাংলাদেশ থেকে নিয়ে গেছেন সেখানে। তার এই  অপকর্মের সহযোগী হিসেবে দেশে বিদেশে রয়েছে আরও ৯ জন। তারা মিলে গঠন করেছে একটি পরিচালনা কমিটি পদবিসহ তাদের ছবি সংযুক্তঃ 

পরিচালনা কমিটি
পরিচালনা কমিটি

ডেসটিনির স্টাইলেই তার নতুন প্রতারণা: এই আতাউর রহমান রেজা এমএলএম এর নাম করে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে জনগনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এমন অনেক শতশত বিনিয়োগকারী আছে যারা তাদের ভিটে বাড়ী বিক্রির টাকা, পেনশনের টাকা, জমানো ব্যাংকের  টাকা উক্ত প্রতিষ্ঠানটিতে বিনিয়োগ করেছেন, কিন্ত উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি যে পরিমান টাকা নিয়েছে তা অফেরযোগ্য বলে তিনি দাবি করেন এবং গুম করার হুমকি দেন। এই শতশত বিনিয়োগকারীরা সঠিক মুনাফা না পেয়ে এখন রাস্তায় রাস্তায় প্রহর গুনছে।

অপর সূত্রে জানা গেছে অতিসাম্প্রতিক তিনি ডেসটিনির মতই মিডিয়া / পত্রিকা বের করার প্রস্তুতি নিয়েছেন । 

জানা গেছে, ৫০০ এর অধিক বিনিয়োগকারি ও প্রতারিত ভুক্তভোগি রয়েছে এর মধ্যে ১৯জন বিনিয়োগকারীর তালিকা, মোবাইল নাম্বার এবং  কয়েক কোটি টাকার  বিনিয়োগের প্রমান পত্র এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। 
 
মিডিয়াতে তার অপকর্মের প্রতিবেদনঃ বিজয় টিভির অপরাধ বিষয়ক অনুষ্ঠানে গত ২২-০৮-২০১৯ বিকাল ৪টায়, যা তার বাংলা মটরের অফিসে (রুপায়ান, টাউয়ার , লেভেল ৭) ধারন করা তা প্রচার হলে  অজ্ঞাত কারনে তার বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গৃহীত হয়নি। 
  
সন্ত্রাসী বাহিনী পালন ও  টর্চার  সেলঃ তার এসব অপকর্ম নিরাপদ রাখার জন্য তার রয়েছে একটি শক্তিশালি  সন্ত্রাসী বাহিনি। এই বাহিনিও পরিচালিত হয়  একজনের মাধ্যমে যার বিস্তারিত  তথ্য এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। কেউ ক্রাউন টাচের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করলে এই বাহিনী  নানাবিধ হুমকি প্রদান করে।  যার মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালায় সে কখনও যুবলীগের কর্মী ,তার বস যুবলীগের বড়নেতা,আবার কখন ও সুপ্রিম   কোর্টের নাম করা উকিলের নাম, বড় পুলিশ অফিসারের নাম ব্যবহার করে থাকে।  এ ব্যক্তি সব সময় উকিলের কালো কোর্ট আর টাই পরেই সর্বত্র বিচরণ করেন । এ ব্যক্তি কখনও নিজেকে উকিল কখনও উকিলের সহকারী, কখনও যুবলীগ নেতা পরিচয় দেন। এই সাইফুর রহমান রেজার আপন ভাই। তিনি কখনও নিজের নাম সাইফুর রহমান কখনও পারভেজ মিয়া, তার বাপের নাম সাওয়ার রহমান কখনও জিল্লুর এবং মায়ের নাম কখনও সাহারা বেগম কখনও বিলকিস এবং ঠিকানা কখনও বিজয়নগর , কখনও ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবার কখনও ৭৩ শান্তিবাগ ঢাকা, কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এসব কোনো ঠিকানায় তিনি থাকেন না। এই সাইফুর তার এসব অপর্কমে ০১৬৩১৫৭৫৪৭৬ এই মোবাইল নম্বর ব্যাহার করেন।

ঋণ খেলাপীঃ একটি  বেসরকারি ব্যাংক থেকে নিয়েছে আড়াইকোটি টাকা এবং সেখানে খেলাপি হয়ে মামলায় ঝুলছে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে বলে জানা যায়। বর্তমানে ডাচ বাংলা ব্যাংক, কাওরান বাজার শাখায় ক্রাউন টাচের লেনদেন রয়েছে। 

করোনাই তার ডিজিটাল প্রতারনার হাতিয়ারঃ পৃথিবী যখন মহাসংকটময় অবস্থায় নিপতিত,দেশ  যখন ক্রান্তিকাল     অতিক্রম করছে,   প্রশাসন যখন করোনা মোকাবালায় ব্যস্ত, এমতবস্থায় এই প্রতারক চক্র ও দুষ্কৃতিকারী  তাদের সাধারন জনগকে ভয়াবহ প্রতারনার ফাঁদে আটকে ফেলছে। এই কাজে রেজা তার মোবাইল নাম্বার ০১৬৩০৩১৪১৯৬, ইমু, ওয়াটসেপ, ভাইবার, ফেসবুক,  ওয়েবসাইট, ইমেইল, টিভি চ্যানেল ইত্যাদি  ব্যবহার করে ডিজিটাল প্রতারনা করছে।

যেসব মামলায় তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানী রয়েছেঃ তার বিরুদ্ধে কলাবাগান থানায় ডেসটিনির মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতি দমন বিভাগের মামলা নম্বর ১৭/২০১৬, কাফরুল থানার মামলা নম্বর ৬(১২)/২০২০, রমনা থানার মামলা নম্বর ১৭(২)/২১ এবং সিএমএম কোর্ট ঢাকায় সিয়ার মামলা নম্বর ৮/২০২১। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন থানায় তার নামে রয়েছে অসংখ্য জিডি। এত মামলা ও জিডি ঘাড়ে নিয়ে তিনি দিব্যি প্রকাশ্যেই প্রকারণা মূলক এমএলএম ও ইকর্মাসের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

যে কোন সময় পালিয়ে যাবেন মালয়েশিয়ায়ঃ তিনি ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকবার  মালয়েশিয়ায় গেছেন এবং ভিসা লাগিয়ে রেখেছেন যাতে  যে কোন সময় পালিয়ে যাবেন বলে গ্রাহকরা আশংকা করছেন।

প্রশ্ন হলো, ডিজিটাল বাংলাদেশে এই সব প্রতারকদের প্রশ্রয় দিচ্ছে কে? এবং  ফেরারী আসামী প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে কিভাবে দিব্বি এখনো অবৈধ  ব্যবসা প্রকাশ্যে পরিচালনা করে যাচ্ছে? সেটাই প্রশাসনের কাছে জনগনের প্রশ্ন? এবং ফেরারী আসামী কিভাবে দেশের বাহিরে যাওয়া আসা করে এই কথা  জনগন জানতে চায়। 

ভুক্তভোগীদের প্রশাসনের নিকট জোর দাবি যে এ.এইচ.এম আতাউর রহমান রেজা ওরফে ক্রাউন রেজা যাতে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে না পারে এবং তাঁর  বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আগামী নিউজ/এসএস