Dr. Neem
Dr. Neem Hakim

সরাসরি কৃষকের হাতে ভর্তুকির টাকা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছে বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী


আগামী নিউজ | ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: অক্টোবর ১৬, ২০২১, ০১:২১ পিএম
সরাসরি কৃষকের হাতে ভর্তুকির টাকা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছে বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ছবিঃ সংগৃহীত)

ঢাকাঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরাসরি কৃষকের হাতে ভর্তুকির টাকা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছে বর্তমান সরকার। প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড দিয়ে যাচ্ছি। মাত্র ১০ টাকায় কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি বেসরকারি হোটেলে ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকেই আমরা বর্গাচাষিদের বিনা জামানতে কৃষিঋণ দেওয়া শুরু করি। আমাদের লক্ষ্য ছিল ব্যাংক কৃষকের কাছে পৌঁছে যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিদেশ থেকে কৃষকদের ভর্তুকি দিতে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা তাদের কথা শুনিনি। ’৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার আগ থেকেই বিশ্বব্যাংক আমাদের পরামর্শ দিয়েছে যে ভর্তুকি দেওয়া যাবে না। আমরা বলেছিলাম পৃথিবীর সব দেশ দেয়, আমরা কেন দেব না।

দেশের মানুষের প্রথম চাহিদা খাদ্য- এমনটি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের খাদ্য দিতে হবে। এজন্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। যদি কেউ ঋণ না দেয়, তাহলে নিজেদের পয়সায় দেব।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য অপচয় রোধে সবার নজর দিতে হবে বলে উল্লেখ করে বলেন, সারাবিশ্বে খাদ্যের অভাব আছে। আবার খাদ্যের অপচয়ও হয়। সেজন্য উদ্বৃত্ত খাদ্য কাজে লাগানোরও পথ বের করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ মঙ্গামুক্ত থাকবে। বাংলাদেশে আর কেউ যেনো দুষ্কর্ম করে দুর্ভিক্ষ তৈরি করতে না পারে, সেদিকে নজর দিতে হবে। আমরা খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করবো।

এসময় বিরি ১০০ ধান উদ্ভাবকদের বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ কৃষি বিজ্ঞানী আমাদের দেশে আছে। তাদের গবেষণা সাফল্য অর্জন করেছে। আমি কৃষি গবেষক ও কৃষিবিদদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি বলেন, বীজ উৎপাদন করবো, অন্যের ওপর নির্ভরশীল হবো না। বীজ মান সম্পন্ন হতে হবে। সম্প্রসারণশীল হতে হবে। কোটালিপাড়া টুঙ্গিপাড়ায় ভাসমান সবজি চাষ হতো। বীজ তলা থেকে শুরু করে নানা রকম সবজি হয় কচুরিপনার ওপর। সেটি আমরা সারাদেশে সম্প্রসারণ করছি। আশা করি, খাবারে অভাব থাকবে না। তবে গবেষণায় অব্যাহত রাখতে হবে। খাদ্য ও পুষ্টির ওপর গবেষণা চালিয়ে যেতে হবে।

বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান দিনভর চলবে। কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সংস্থা (এফএও) অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে। এবারের খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ, ভালো উৎপাদনে ভালো পুষ্টি, আর ভালো পরিবেশে উন্নত জীবন’।

আগামীনিউজ/বুরহান