Agaminews
Dr. Neem
Dr. Neem Hakim

মাসুদা রশিদ চৌধুরীর মৃত্যুতে সংসদে শোক


আগামী নিউজ | ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১, ০৪:০২ পিএম
মাসুদা রশিদ চৌধুরীর মৃত্যুতে সংসদে শোক

ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকাঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক, জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা মাসুদা এম রশিদ চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে জাতীয় সংসদ। মরহুমার মৃত্যুতে আনা শোকপ্রস্তাব সর্বসন্মতক্রমে গ্রহণ করা হয়। 

পরে মাসুদা এম রশীদসহ মৃত্যুবরণকারীদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি দলের এমপি এনামুল হক। পরে সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী এদিন অন্যান্য কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

তাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা শোকপ্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন। এ সময় তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন তুলে ধরেন তারা। পরে সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী এদিন অন্যান্য কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

এর আগে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাসুদা রশীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহমর্মিতা জানান।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী মাসুদা রশিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব তোলার পর এর ওপর আরও আলোচনা করেন বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের, বিরোধী দলীয় প্রদান হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা, কাজী ফিরোজ রশীদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ, সিমিন হোসেন রিমি, আবদুস সোবহান মিয়া, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, ওয়াশিকা আয়শা খান ও নাজমা আক্তার।

রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে মারা যান মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী। মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী ২২ জুলাই ১৯৫১ সালে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার এক সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তাঁর পিতার নাম আবুল মনসুর ও মাতার নাম মৌসুফা মনসুর। তার স্বামী প্রয়াত অ্যাডভোকেট এ বি এম ফজলে রশীদ চৌধুরী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক মাসুদা একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে আইনপ্রণেতা ছিলেন। তিনি জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।