Agaminews
Dr. Neem
Dr. Neem Hakim
নিতে হবে টিকা

১১ আগস্ট থেকে চলবে গণপরিবহণ, খুলবে দোকানপাট


আগামী নিউজ | ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২১, ০৫:০০ পিএম
১১ আগস্ট থেকে চলবে গণপরিবহণ, খুলবে দোকানপাট

ফাইল ছবি

ঢাকাঃ কোভিড-১৯ এর (করোনাভাইরাস) সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও পাঁচদিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে বিধিনিষেধ আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বিধিনিষেধ শেষে ১১ আগস্ট থেকে সীমিত আকারে চলবে গণপরিবহন। 

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) ভার্চুয়ালি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সচিবালয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সভায় জানানো হয়েছে একই দিন থেকে খুলে দেওয়া হবে দোকানপাট, গণপরিবহন ও অফিস আদালত।

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আগামী এক সপ্তাহে এক কোটির বেশি মানুষকে টিকা দেবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ন্যূনতম দুটি করে কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। যার ফলে আশা করছি কষ্ট করে ভ্যাকসিন নেওয়ার পেছনে দৌড়াতে হবে না। প্রায় ১৪ হাজার কেন্দ্রে একসঙ্গে সপ্তাহব্যাপী ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেখানে বয়স্কদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শ্রমজীবী মানুষ, দোকানদার, বাসের হেলপারদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ভ্যাকসিন না দিয়ে কেউ কোনো কর্মস্থলে আসতে পারবেন না। যাঁর যাঁর এলাকা থেকে ভ্যাকসিন নিতে হবে।’ 

‘কেউ ভ্যাকসিন নিয়েছে কি না, সে তথ্য ওয়েবসাইটে চলে যাবে, কেউ মিথ্যা বলতে পারবে না। দোকানপাট খোলার আগে ৭, ৮ ও ৯ আগস্ট তিন দিন সুযোগ রাখলাম। এই সময়ের মধ্যে যাতে ভ্যাকসিন নিতে পারে, সেই সুযোগ দিচ্ছি। ১১ আগস্ট থেকে যাতে দোকানপাট খুলতে পারে সভা সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস কত দিন চলবে, কেউ জানে না। যত শিগগির সম্ভব নিজেরা বা অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে যাতে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারি। সেটা হলে সবাইকে ভ্যাকসিন দিয়ে দেব। চেষ্টা করব যাতে চার-পাঁচ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিন দেশে উৎপাদন করা যায়। আইসিইউর অভাব রয়েছে। বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজের কনভেনশন সেন্টারে আগামী শনিবার থেকে ডেডিকেটেড আইসিইউ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।’

মোজাম্মেল হক বলেন, কিছু রপ্তানিমুখী শিল্প খুলে দেওয়া হয়েছে, নইলে বিশ্ব বাজার হারাতে হবে। অর্থনীতিকে সচল রাখতে এগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।

করোনার সংক্রমণ কমাতে সব ধরনের অফিস বন্ধ রেখে গত ১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করে সরকার। এরপর কোরবানির ঈদের আগে ১৫ জুলাই থেকে আট দিনের জন্য সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। ২৩ জুলাই থেকে ফের ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে, যা ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। শেষ ধাপের বিধিনিষেধের মধ্যে সব ধরনের শিল্প কলকারখানা বন্ধ রাখা হলেও গত রোববার থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানাগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।