Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

জজ মিয়াকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে লিগ্যাল নোটিশ


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০২২, ০২:২২ পিএম
জজ মিয়াকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে লিগ্যাল নোটিশ

ঢাকাঃ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কারাভোগ করেন মো. জালাল ওরফে জজ মিয়া। সেই ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৮ জনকে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির ও মোহাম্মদ কাওসার জজ মিয়ার পক্ষে এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক আইজিপি খোদাবক্স চৌধুরী, সাবেক এএসপি আব্দুর রশিদ, মুন্সি আতিকুর রহমান, সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিনসহ জড়িতদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা থেকে এই ক্ষতিপূরণ আদায় করতে বলা হয়েছে।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইজিপি, ঢাকার ডিসি এবং মতিঝিল ও সেনবাগ থানার ওসিকে এই ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায়, ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ২০০৫ সালের ৯ জুন নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে ধরে আনা হয় জজ মিয়াকে। তাকে ১৭ দিন রিমান্ডে রেখে, ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে একটি সাজানো জবানবন্দি আদায় করে সিআইডি। ২০০৫ সালের ২৬ জুন আদালতে দেওয়া ওই কথিত স্বীকারোক্তিতে জজ মিয়া বলেছিলেন, পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে বড় ভাইদের নির্দেশে তিনি অন্যদের সঙ্গে গ্রেনেড হামলায় অংশ নেন। ওই বড় ভাইয়েরা হচ্ছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, জয়, মোল্লা মাসুদ, মুকুল প্রমুখ।

পরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে নতুন করে এই মামলার তদন্তের উদ্যোগ নেয়। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ১১ জুন এ সংক্রান্ত মামলা দুটির অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। অব্যাহতি দেওয়া হয় জোট সরকারের আমলে গ্রেফতার হওয়া জজ মিয়াকে। সে সময় বিনা অপরাধে পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হয়েছিল তাকে।

এমবুইউ