Dr. Neem
Dr. Neem Hakim

এসকে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় আবারও পেছাল


আগামী নিউজ | ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: অক্টোবর ২১, ২০২১, ১১:৩৮ এএম
এসকে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় আবারও পেছাল

ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকাঃ সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে করা ঋণ জালিয়াতির মামলার রায় আবারও পিছিয়ে রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম রায় প্রস্তুত করতে না পারায় তারিখ পেছানো হয়।

গত ৫ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক আলী হোসেন রায় ঘোষণার জন্য এদিন ধার্য করেন। ওইদিনও মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক শেখ নাজমুল আলম অসুস্থ থাকায় তারিখ পিছিয়ে পরবর্তী রায় ঘোষণার জন্য ২১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

তারও আগে ১৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ৫ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচার অসুস্থ থাকায় তারিখ পিছিয়ে পরবর্তী রায় ঘোষণার জন্য ২১ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দিন ধার্য করা হয়।

মামলার ১১ আসামির মধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী) কারাগারে আছেন। ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি একেএম শামীম, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান এবং একই এলাকার বাসিন্দা নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা জামিনে আছেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় পলাতক।

গত বছরের ১০ জুলাই দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর কমিশনের সভায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর গত বছরের ১০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ঢাকার বিশেষ জজ-৪-এ পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১৩ আগস্ট আদালত ১১ জনের অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন। 

এরপর গত ১৮ আগস্ট আদালতে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলার বাদী সৈয়দ ইকবাল হোসেন সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর গত ২২ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বেনজীর আহমেদের জেরার মধ্য দিয়ে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এ মামলায় ২১ জন সাক্ষীর সবার সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। এরপর গত ২১ সেপ্টেম্বর দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি এস কে সিনহাসহ ১১ আসামির সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি করেন। দুদকের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে সাত আসামির পক্ষে তাঁদের আইনজীবী বোরহান উদ্দিন ও শাহীনুর ইসলাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। যুক্তিতর্কে আসামিদের নির্দোষ দাবি করে তাঁদের খালাস দাবি করেন তাঁরা। যুক্তিতর্ক শোনা শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাব বিস্তার করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় উত্তোলন, স্থানান্তর ও নিজেদের ভোগ-দখলে রেখে অবৈধ প্রকৃতি উৎস অবস্থান গোপন করে পাচার করেছেন বা পাচারের ষড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে সম্পৃক্ত থেকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আগামীনিউজ/বুরহান