Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

অতিবৃষ্টির কারণে কাঁচা সবজিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বেশি


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মে ২০, ২০২২, ০৪:৩৫ পিএম
অতিবৃষ্টির কারণে কাঁচা সবজিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বেশি

ঢাকাঃ দেশের প্রায় সব জেলায় বেড়েছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। অনেক এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে তলিয়ে গেছে কৃষকের ফসল। যার প্রভাব পড়েছে সবজির বাজারে। উৎপাদন ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে সব ধরনের সবজির দাম বাড়তি। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ভরসার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে আলু।

দেখা গেছে, বাজারে সবজির দাম সর্বনিম্ন ৫০ টাকা। শুধুমাত্র আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজিতে। এই অবস্থায় ক্রেতারা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের মরণ ছাড়া আর উপায় থাকবে না।

শুক্রবার (২০ মে) সকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একাধিক বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি কচুরমুখী ৮০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, ঢেঁড়স, পটল ও ঝিঙা ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাড্ডা এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেনের বলেন, দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো না। মানুষের আয় কমে গেছে। অসংখ্য মানুষ বেকার হয়ে ঘুরছে। ব্যবসায়ীদের ব্যবসা ভালো না। বাজারের অবস্থাও যদি এমন ঊর্ধ্বমুখী হয়, তাহলে আমরা বাজার করব কী করে? আমাদের সংসার চলবে কী করে?

খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের পর থেকেই কাঁচা সবজিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বেশি। এরপর আবার বৃষ্টির কারণেও বাজারে তেমন সবজি আসছে না। আসতে গেলে বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যেকারণে প্রতি কেজি সবজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়েছে খুচরা বাজারে।

বাজারের প্রবেশ মুখেই আলু, পটল, চিচিঙ্গা, টমেটোসহ অন্যান্য সবজি সাজিয়ে বসেছেন আকবর আলী। সবজির দামের প্রসঙ্গে এই বিক্রেতা বলেন, বাজারে সবজির সরবরাহ মোটামুটি কম। যেরকম চাহিদা আছে, তার চেয়ে যদি সরবরাহ কম থাকে দাম তো বেশিই হবে।

তিনি বলেন, কয়দিন পরপরই বৃষ্টি হচ্ছে। আর বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়ে গেলে বাজারে সবজি কমে যায়। বিভিন্ন জেলা থেকেও এই সময়ে সবজি আসতে পারে না। তাই সব সবজিরই এখন দামটা বেশি।

এসএস