Agaminews
Dr. Neem Hakim

সবজি স্থিতিশীল, মুরগি-মসলায় অস্বস্তি


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মে ২২, ২০২০, ১২:১৯ পিএম
সবজি স্থিতিশীল, মুরগি-মসলায় অস্বস্তি

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এখনো চড়া রয়েছে মুরগির বাজার। পাইকারি বাজারে নির্ধারিত মূল্যে গরম মসলা বিক্রি হলেও খুচরায় এখনও চড়া রয়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে শাক-সবজি, মাংস ও ডিমের দাম। 

শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তি ৪০ টাকা, গাজর বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বড় কচু ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা-ধন্দুল-ঝিঙা ৪০ টাকা, বেগুন (প্রকারভেদে) ৪০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ২০ থেকে ৩০ টাকা, ধনিয়াপাতা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, পুদিনা পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজিদরে। এছাড়া প্রতিহালি ছোট লেবু ১০ থেকে ১৫ টাকা, বড় সাইজের লেবু ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, মহিষের মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, বকরি ৭৫০ টাকা কেজিদরে। তবে মাংসের দাম না বাড়লেও বাড়তি রয়েছে মুরগির দাম। কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিদরে, প্রতিকেজি লেয়ার ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৯০ থেকে ২১০ টাকা। কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ থেকে ৩২০ টাকা, প্রতিকেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজিদরে।

প্রতিডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, দেশি মুরগি ১৪০ টাকা, সোনালি মুরগির ডিমি বিক্রি হচ্ছে ১২০, হাঁস ১১০ থেকে ১২০  টাকা, কোয়েল ১০০ পিস ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, ঈদের আগে মসলার বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার দাম নির্ধারণ করে দেয়। তবে পাইকারি বাজারে নির্ধারিত মূল্যে গরম মসলা বিক্রি হলেও খুচরায় এখনও চড়া রয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি বাজারে জিরা বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৪৫ টাকা, দারুচিনি (চায়না) ৩১০ থেকে ৩১৫ টাকা, ভিয়েতনাম ৩৬০ থেকে ৩৬৫ টাকা, লবঙ্গ ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা, এলাচ ২৮০০ থেকে ৩২০০ টাকা।

মসলাভেদে খুচরা-পাইকারি ব্যবধান ১৫০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। খিলগাঁও, মালিবাগ, রামপুরা, শান্তিনগর এলাকায় এদিন প্রতিকেজি জিরা মানভেদে (খুচরা) ৪৫০  থেকে ৫৫০ টাকা, দারুচিনি ৪০০ থেকে ৪৮০ টাকা, লবঙ্গ ৯৫০ থেকে ১১৫০ টাকা, এলাচ ৩৬০০ থেকে ৪২০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।

দাম বেড়েছে রসুন ও পেঁয়াজের। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। আর অপরিবর্তিত আছে আদার বাজার। প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে (মানভেদে) ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়।

আগামীনিউজ/মিজান

Dr. Neem