Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

কৃষি  কর্মকর্তাদের ৩ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত 


আগামী নিউজ | বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, বাকৃবি প্রকাশিত: মে ২৭, ২০২২, ০৭:৫১ পিএম
কৃষি  কর্মকর্তাদের ৩ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত 

বিসিএস কৃষি ক্যাডারে কর্মরত কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের ৩ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।  আজ (শুক্রবার) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এগ্রিকালচার ফোর লিভলিহুড এন্ড বায়োডাইভারসিটি বিষয়ে এ প্রশিক্ষণের  আয়োজন করা হয়। তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে বাকৃবির গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথভাবে ওই প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়।

এসময় প্রশিক্ষণার্থীদের ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এছাড়া সেরা ৫জন প্রশিক্ষার্থীকে পুরষ্কার দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ১ম হয়েছেন মুঞ্জিগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কল্যাণ কুমার সরকার। 

জানা যায়, প্রশিক্ষণ শুরু হয় গত ফেব্রুয়ারি মাসের ১৯ তারিখ এবং শেষ হয় গত ২৬ মে। মোট  প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন ৩২ জন।পরাগায়নের মাধ্যমে তেল জাতীয় শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, সম্প্রসারণ, মধু চাষের সম্ভাবনাময় দিক এবং করনীয় বিষয়ের  উপর তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বাকৃবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও গবেষকরাও প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং খাইরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মহা পরিচালক মো. বেনোজির আলম। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিলেন বাকৃবির কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো.  আজিজুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের প্লান্ট প্রোটেকশন উইংয়ের পরিচালক মো. আবদুল মাজেদ, ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের পরিচালক মো. আবু হানিফ,  তেল জাতীয় শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, বাকৃবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মুহির উদ্দীন এবং ৩২ প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। 

পীরগঞ্জ উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণার্থী তানিয়া তাবাস্মুম বলেন,  আমরা সুনামধন্য প্রশিক্ষকদের থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। এই তিন মাসে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা নিয়েছি কিভাবে মধুকে বাংলাদেশে লাভজনক করা যায় তা শিখেছি। আমাদের যদি ব্যবহারিকভাবে এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হতো, তাহলে আমরা আরও ভালোভাবে শিখতে পারতাম। প্রশিক্ষণে আমরা যেসব ইক্যুইপমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো মাঠে ব্যবহারের সুযোগ পেলে কৃষকরাও এই বিষয়ে আগ্রহ পাবে। তেল জাতীয় শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

তানিউল করিম জীম/এসএস