Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

মধুমতি নদীতে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন


আগামী নিউজ | জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল প্রকাশিত: মে ২৮, ২০২২, ০৬:৩২ পিএম
মধুমতি নদীতে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন

নড়াইলঃ নড়াইলের কালিয়ার পহরডাঙ্গা খেয়াঘাটে মধুমতি নদীতে অবৈধ ঘাতক ড্রেজার মেশিন বসিয়ে উপজেলা প্রশাসনের যোগসাজশে  মধুমতি নদী থেকে অবৈধ ঘাতক ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মল্লিক মাহমুদুল ইসলাম ও ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার তপনের বিরুদ্ধে। বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গভীরতা সৃষ্টি হয়ে তীরবর্তী বাড়িঘর, ফসলি জমি ভাঙ্গন,বাজার ও কবরস্থান ও ভাঙ্গনের মারাত্মক আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে নদীর পার্শ্ববর্তী ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, সরসপুর পহরডাঙ্গা কবরস্থানের এক অংশ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে পহরডাঙ্গা  বাজারসহ আশপাশের জনবসতি ও স্থাপনা। পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সামনের রাস্তার জন্য প্রশাসনকে অবহিত করার কথা বলে পহরডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মল্লিক মাহমুদুল ইসলাম ও মেম্বার তপন নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে লাখ লাখ টাকার বালু উত্তোলন করছে। নদীতে গভীরতার সৃষ্টি করে বালু উত্তোলনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া আগামী বর্ষা মৌসুমে দেখা দিতে পারে।

বালু উত্তোলন বন্ধে  বাজার, কবরস্থান রক্ষার ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সরসপুর,পহরডাঙ্গা দুই গ্রামের বাসিন্দারা।

এলাকাবাসী বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদী তীরবর্তী বাড়িঘর, ফসলি জমি ভাঙন,পহরডাঙ্গা বাজার দুই গ্রামের পুরানো কবরস্থান ভেঙ্গে নদীগর্ভে  বিলিন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানুষের দু:খ-দুর্দশার কথা চিন্তা না করে ব্যক্তি মুনাফার জন্য পরিবেশ নষ্ট করে জনগণের মুখের গ্রাস ও বসতবাড়ি ধ্বংসের লীলায় মেতে উঠেছেন চেয়ারম্যান মল্লিক মাহমুদুল ইসলাম ও মেম্বার গোলাম কবির তপন।

অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে তপন মেম্বার বলেন, পরিষদের রাস্তার জন্য বালু তোলা হচ্ছে। ইউএনও ও এসিল্যান্ড স্যারের অনুমতি নিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। কোনো লিখিত অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে মেম্বার তপন সাংবাদিকদের দিকে তেরে আসেন এবং বলেন যে তোমাদের সমস্যা কি ইউএনও কে আসতে বল বন্ধ করতে।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মল্লিক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, সরকারি কাজের স্বার্থে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিষয়টি পিআইও, এসিল্যান্ড, ইউএনওসহ সবাই অবগত।

কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তার জানা আছে।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা আমার কাছে পরিষদের সামনে রাস্তার জন্য ৪/৫ ঘন্টার জন্য বালু তুলার অনুরোধ করলে আমি তাদের ৫ঘন্টার অনুমতি দেয়। অন্য কোথাও না দেওয়ার জন্য নিষেধ করি।

এ ব্যাপারে নড়াইল জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাবিবুর রহমানের ব্যবহৃত মুঠোফোনে ফোন করলে কলটি রিসিভ করেননি।

বাবর আলী/এসএস