Dr. Neem on Daraz
Dr. Neem Hakim

বড় খরচ উঠুক, তারপর দ্বিতীয় পদ্মা সেতু : প্রধানমন্ত্রী


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২২, ০১:৪১ পিএম
বড় খরচ উঠুক, তারপর দ্বিতীয় পদ্মা সেতু : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকাঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাওয়া-জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু নির্মাণে যে বড় খরচ হয়েছে সেটা উঠলে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। 

বুধবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিক রেজওয়ানুল হক রাজার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

‘১৬টি জেলার মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে যদি পদ্মা সেতু-২ নামে আরেকটি সেতু নির্মাণ হয় এবং সরকারের প্রতিশ্রুতিও ছিল’—এ ব্যাপারে সরকারে ভাবনা জানতে চাওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সরকারে আসার পর বিভিন্ন সেতু নির্মাণ করে সারা দেশটাকেই সংযোগ করেছি। যে পদ্মা সেতুটি তৈরি করলাম, এটা যখন চালু হবে। এটা চালু হওয়ার পর দ্বিতীয়টার জন্য আমাদের মোটামুটি আয়োজন আছে, তবুও আগে দেখতে হবে—এটার প্রয়োজনীয়তাটা কতটুকু। সেটা বিবেচন করে এটা করা হবে। কাজেই এখনই এতবড় একটা কাজ শেষ করে আবার আরেকটা আমরা শুরু করতে পারবো না।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আগে আরিচা থেকে ফেরি যেতো দৌলতদিয়ায়। পাটুরিয়া যে জায়গাটা আমরা ড্রেজিংয়ের পলি-বালি ফেলে ভরাট করি। আমাদের সরকার পরে আরিচা থেকে পাটুরিয়া ৭ কিমি রাস্তা নির্মাণ করে। যাতে ফেরির সময়টা কমে আসে। যদিও উদ্বোধন করে যেতে পরিনি।’

তিনি বলেন, ‘ওই জায়গাও খুব বড় নয়। কাজেই সেতুও বড় হবে না। কাজেই ভবিষ্যতে যখন প্রয়োজন মনে করবো, তখন করবো। আর আমি আগেই বলেছি কোনও প্রকল্প নেওয়ার আগে সেখান থেকে আমাদের রিটার্ন কী আসবে সেটা দেখতে হবে। এটা দেখে আমরা করবো। সেটা আমাদের মাথায় আছে। এখানে হয়তো সেতু করতে হতে পারে, করবো। সেটা আমরা তখন উদ্যোগ নেবো।’

মাওয়া-জাজিরার পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আপনাদের হিসাব করা উচিত, দৌলতদিয়া থেকে রাজবাড়ী মোড় পর্যন্ত ৩০-৩৫ কিলোমিটারের মতো যেতে হয়। আর রাজবাড়ী মোড় থেকে কামার খান ব্রিজ হয়ে কুষ্টিয়া যেতে পারেন। পাংশা থেকে কুমারখালী পর্যন্ত যাওয়ার জন্য আমরা ব্রিজ করে দিয়েছি। আমরা অনেক দিক থেকেই যোগাযোগের ব্যবস্থা করেছি। এখানে কতটুকু রিটার্ন আসবে, কী আসবে। কতটুকু উন্নতি সেটা আমরা দেখবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে আমরা যেমন ধরলা ব্রিজ করে দিয়েছি। আবার ‍কুড়িগ্রামের সঙ্গে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে যাওয়ার ব্রিজ করে দিয়েছি। লালমনিরহাটের রংপুরের গঙ্গাচড়া ব্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ডোমারের সঙ্গে পঞ্চগড়ে যাওয়ার ব্রিজ। উত্তরবঙ্গে অনেকগুলো ব্রিজ করেছি। লালমনিরহাট, কুমিড়গ্রাম, রংপুর, নীলফামারী সমস্ত জায়গায় ব্রিজের মাধ্যমে যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আমরা করে দিয়েছি। যেখানে যেখানে প্রয়োজন আমরা করে দিচ্ছি। আর দক্ষিণে দোয়ারিকা, শিকারপুর, গাবখান থেকে শুরু করে পায়রায় ব্রিজ করছি।’

এমবুইউ