ই-/হু/দী- দের গোপন মাদ্রাসা! শেখানো হয় ইসলাম!

ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১১:০০ পিএম

ই-/হু/দী- দের গোপন মাদ্রাসা! শেখানো হয় ইসলাম!
|| ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ||

আপনারা জেনে অবাক হবেন, ই/হু-/দী-/রা এখন ই-/উ/রোপ ও আ-/মেরি/কায় গোপনে কিছু মাদ্রাসা করে রেখেছে! লন্ডনে এবং ফ্রা/ন্সে মাটির নিচে ই-হু-/দী-/রা মাদ্রাসা তৈরি করে রেখেছে!!
আমাদের দেশে একজন ইসলামী বুদ্ধিজীবী নিজের চোখে তা দেখে এসেছেন। তিনি হচ্ছেন মরহুম ডক্টর আলী আশরাফ; যিনি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর বড় ভাই ছিলেন ডক্টর আলী আহসান; যিনি এক সময় বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁরা খুব উচ্চশিক্ষিত এবং দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় তাঁরাই প্রতিষ্ঠা করেছেন!!
ডক্টর আলী আশরাফ বলেছেন, তিনি যখন লন্ডনে গেলেন, তখন ওই দেশের কিছু বুদ্ধিজীবীরা তাঁকে বললেন, “চলো তোমাকে একটি জিনিস দেখাই।” এরপর তাঁরা গাড়িতে উঠল। কয়েক ঘণ্টা চলার পরে লন্ডন শহর পার হয়ে নির্জন পথে চলতে চলতে একসময় তাঁরা খুব গ্রাম্য অঞ্চলে চলে গেল। এরপর তাঁর চোখ বেঁধে দেওয়া হলো। নির্জন নিভৃত এলাকায় গিয়ে সুড়ঙ্গ পথে তিনাকে মাটির নিচে নামানো হলো। সেখানে গিয়ে তিনার চোখ খুলে দেওয়া হলো, আর চোখ খুলে দেওয়ার পর তিনি দেখলেন, সেখানে বিশাল মাদ্রাসা‌, এবং পাগড়ি আর দাড়িওয়ালারা কিতাব পড়ছে। ব্রিটেনের বুদ্ধিজীবীরা ডক্টর আলী আশরাফকে বলল, "এরা কারা?" তিনি বললেন, "এরা আলেম-উলামা।" তখন তারা বলল, “এরা একজনও মুসলমান নাই; বরং সব ই-/হু-/দী এবং খ্রি-স্টা-/ন। তাদেরকে আমরা পড়াই, তারপর মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে খতিব সেজে, স্কলার সেজে তারা ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে থাকে!!

দেড় হাজার বছর আগে ই-হু-/দী-দের মাদ্রাসা ছিল মাদিনাতুত তাইয়্যেবায়। সে মাদ্রাসাটির নাম ছিল দারুল মিদরাস। আবু বকর সিদ্দিক (রা.) একদিন দারুল মিদরাসে প্রবেশ করে দেখলেন সেখানে তৎকালীন ই-/হু-দী-দের সবচেয়ে বড় পণ্ডিত ফিনহাস বসা। ফিননহাসকে দেখে হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)বললেন, 
اتَّقِ اللَّهَ وَأَسْلِمْ، فَوَاللَّهِ إِنَّكَ لَتَعْلَمُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، قَدْ جَاءَكُمْ بِالْحَقِّ مِنْ عِنْدِهِ، تَجِدُونَهُ مَكْتُوبًا عِنْدَكُمْ فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ
“ফিনহাস, তুমি আল্লাহকে ভয় কর এবং তুমি মুসলিম হয়ে যাও; কারণ তুমি ভালো করেই জানো মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসূল। আর তুমি তাওরাত কিতাব ভালো করে পড়েছ। কারণ তুমি ই-হু-/দী-দের সবচেয়ে বড় আলেম, এজন্য তুমি ভালো করেই জানো মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসূল।” 

ই-/হু-দী পণ্ডিত ফিনহাস তখন বলল, “হ্যাঁ, এটা আমি জানি এবং বিশ্বাস করি; তবে মুসলমান হতে পারছি না একটি কারণে—তোমাদের আল্লাহ ফকির হয়ে গিয়েছেন!সেজন্য তিনি আমাদের কাছে ঋণ চেয়েছেন।” 
আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,
 
مَّن ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا
“কে আছে তোমাদের মধ্যে আল্লাহ তা’আলাকে করজে হাসানা দিবে?” 
এই আয়াতের অপব্যাখ্যা করে ই-/হু/দী ফিনহাস বলল, “আল্লাহর যদি অভাব না থাকত, তাহলে বান্দার কাছে ঋণ চেয়েছেন কেন?”
তাহলে বোঝা যায়, আল্লাহর কুরআনের প্রথম অপব্যাখ্যা করেছে ই-হু-/দী-/রা, আর দেড় হাজার বছর পর এখনো তারা অপব্যাখ্যা দেওয়ার জন্যই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে আলেম তৈরি করছে!!