ট্রেনে উঠতে গিয়ে মা-বাবার সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রের মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি, নাটোর সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২, ০২:০৫ পিএম
রেললাইনে ছেলের মরদেহের পাশে বাবার আহাজারি

নাটোরঃ লালপুরে রাজশাহীগামী কমিউটার এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা ফসকে কাটা পড়ে ইমতিয়াজ আলী (২৪) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে আব্দুলপুর রেলওয়ে জংশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত ইমতিয়াজ পার্শ্ববর্তী ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর এলাকার অ্যাডভোকেট ইসাহাক আলীর ছেলে ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শী আরিফুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার সময় ইমতিয়াজের মা-বাবা ট্রেনের ভেতরে বসেছিলেন। ঘটনার আকস্মিকতায় তারা নিশ্চুপ হয়ে গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের বরাত দিয়ে আব্দুলপুর জংশন স্টেশনের মাস্টার জিয়াউদ্দিন জানান, রাজশাহী যাওয়ার উদ্দেশ্যে সকাল ৭টায় ঈশ্বরদী থেকে বাবা ইসাহাক আলীর সঙ্গে কমিউটার ট্রেনে ওঠেন এন্তাজ। পৌনে ৯টার দিকে ট্রেনটি জংশন স্টেশনে পৌঁছায়। এরপর নাস্তার জন্য ট্রেন থেকে নেমে স্টেশন সংলগ্ন হোটেলে যান তারা। নাস্তা শেষ করতেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। দৌড়ে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা ফসকে চাকার নিচে পড়ে যান এন্তাজ। বাবার চোখের সামনে ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি জিআরপি থানাকে জানানো হয়েছে।

ইসাহাক আলীর বন্ধু স্বপন কুমার বলেন, ‘ইসাহাকের বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশির সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া গ্রামে। তবে শহরের আলীবর্দি রোডের কোবা মসজিদের পাশে একটি বাড়িতে বসবাস করেন তিনি। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে ছিল। দুই বছর আগে সন্তান প্রসবের সময় মেয়ে মারা গেছে। আজ ছেলেকেও হারালেন।’

এমবুইউ