Dr. Neem on Daraz
Victory Day

২৬ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী


আগামী নিউজ | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৩, ০১:২১ পিএম
২৬ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকাঃ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২৩ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত করতে আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এ পরীক্ষা হলেও করোনার কারণে গতবছরের ন্যায় এ বছরও যথাসময় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পূর্ণ নম্বরে এবং সময়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩।

মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র সচিব ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। কেন্দ্র সচিব ব্যতীত পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ট্রেজারি-থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারীরা কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং প্রশ্নপত্র বহন কাজে কালো কাঁচযুক্ত মাইক্রোবাস বা এমন কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব সোলেমান খান প্রমুখ।

 

আগামী ৩০ এপ্রিল শুরু হচ্ছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায় এবং শেষ হবে দুপুর ১টায়। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী দেরিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হলে, তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে ওইদিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে। 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে,ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউবসহ অন্যান্য সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারীদের পেজ দ্রুত বন্ধের জন্য ফেসবুকসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সাথে বিটিআরসি প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করবে।

প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ প্রদান করা হবে। ট্যাগ অফিসার ট্রেজারি, থানা হেফাজত থেকে কেন্দ্র সচিবসহ প্রশ্নপত্র বের করে পুলিশ প্রহরায় সকল সেটের প্রশ্ন কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট পূর্বে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে। সে অনুযায়ী কোন সচিব, ট্যাগ অফিসার ও পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট বিধি অনুযায়ী খুলবেন। 

নজরদারিতে থাকবে মোবাইল লেনদেন 
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস চক্রের কর্মকাণ্ড নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যদি কোনো মোবাইল নম্বরে একাধিকবার একই অংকের টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট এজেন্টকে নিকটস্থ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে।

বুইউ

আগামী নিউজ এর সংবাদ সবার আগে পেতে Follow Or Like করুন আগামী নিউজ এর ফেইসবুক পেজ এ , আগামী নিউজ এর টুইটার এবং সাবস্ক্রাইব করুন আগামী নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে