Agaminews
Dr. Neem Hakim
  • রোহিত শর্মা: টেস্টে ওপেন করতে এসেই একবারে বাজিমাত করলেন রোহিত শর্মা। এত দিন টেস্টে মিডল অর্ডারে খেললেও বিশাখাপত্তনমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওপেনার হিসেবে এই প্রথম আত্মপ্রকাশ। আর নেমেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন।

  • ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টিতে ওপেনার হিসেবে যে রোহিতকে গোটা দেশ চেনে, টেস্টে ওপেনার হিসেবে সেই রোহিতকেই যেন নতুন ভাবে আবিষ্কার করল ক্রিকেট বিশ্ব। মিডল অর্ডারে যে সাফল্য অধরা ছিল তার, ওপেনার হিসেবে সেটাই করে দেখালেন রোহিত।

  • বীরেন্দ্র সেহবাগ: ঘরোয়া ক্রিকেটের পুরোটাই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও মিডল অর্ডারে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সহবাগের ব্যাট থেকে তেমন রান আসছিল না। সৌরভ তখন জাতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের টপ অর্ডারও তখন বেশ নড়বড়ে। ভিড়ে মিডল অর্ডারে।

  • সৌরভ সেহবাগকে তুলে নিয়ে এলেন ওপেনার হিসেবে। তারপর একের পর এক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে তার ব্যাটে। ওপেনার হিসেবে ১৭০টি ইনিংস খেলে ৮২০৭ রান করেছেন তিনি। ব্যাটিং গড় ৫০.০৪। ২০০৪ সালে মুলতানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্টে তার ট্রিপল সেঞ্চুরি আজও নজির হিসেবে রয়েছে।

  • সাইমন কাটিচ: ২০০১ সালে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে হেডিংলে-তে টেস্টে আত্মপ্রকাশ করেন। কিন্তু তেমন একটা সাফল্য না পাওয়ায় দল থেকে বাদ পড়তে হয়। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ফের জাতীয় দলে ডাক পান।

  • ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে ফিল জ্যাকস-এর সঙ্গে ওপেন করেন। এক নতুন কাটিচকে আবিষ্কার করে অস্ট্রেলিয়া। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে ১৫৭ রান তার ক্যারিয়ারের সেরা।

  • তিলকরত্নে দিলশান: দশ বছরের টেস্ট কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়টাই মিডল অর্ডারে খেলেছেন দিলশান। কিন্তু ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করতে পারছিলেন না তিনি। ক্যারিয়ারের ৫৬তম টেস্টে গলে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওপেন করেই প্রথম ইনিংসে ৭২ বলে ৯২ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন।

  • ওপেনার হিসেবে আরও ৬টি সেঞ্চুরি করেন এক বছরের মধ্যে। মোট ২৯টি টেস্টে ওপেন করেছেন দিলশান। ব্যাটিং গড় ৪২.৫৪। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৯৩ রান তার ক্যারিয়ারের সেরা।