লকডাউনে ওয়ারীতে জরুরি পণ্য পৌঁছে দেবে ই-ক্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক জুলাই ৩, ২০২০, ১১:৩৩ পিএম

ঢাকা : শনিবার (৪ জুলাই) থেকে ২১ দিনের জন্য লকডাউন শুরু হচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪১ নং ওয়ার্ড ওয়ারীতে। এ সময় দুটি প্রবেশমুখ ছাড়া ওই এলাকার সব রাস্তা বন্ধ থাকবে। জনসাধারণ এই সময়ে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে পারবে না।

লকডাউন এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য এটুআই এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কাজ করবে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) ২০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান।

ঢাকা শহরে লকডাউন এলাকায় সেবা দেয়ার জন্য সক্ষমতা এবং বিগত দিনের সেবার উপর বিশ্লেষণ করে এটুআইয়ের তত্ত্বাবধানে ই-ক্যাবের সদস্য মোট ৭০টি প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করা হয়েছে।

ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার বলেন, আমরা দুই সিটি মেয়রকে নিশ্চয়তা দিয়েছি যে, আমরা বিধিমেনে ন্যায্যমূল্যে ঘরে থাকা মানুষের কাছে নিত্যপণ্য পৌঁছে দিতে চাই। আমাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে সে কাজটি দক্ষতার সঙ্গে করে আসছে। আশাকরি ওয়ারীতেও তার ব্যতিক্রম হবে না।

ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, রাজাবাজারের মতো ওয়ারীতেও মানুষের পাশে থাকব আমরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখানে নিত্যপণ্য সরবরাহ করব। যাতে জনসাধারণকে ঘর থেকে বের হতে না হয়। ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো গাড়িতে করে গিয়ে পণ্য ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবে এজন্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ঘটবে না এবং আমাদের একটি টিম সার্বক্ষণিক বিষয়টা তদারক করবে। এতে এটুআই সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবে।

এটুআই এর হেড অব ই-কমার্স রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, আমরা আসলে রাজাবাজারের অপারেশনটাকে মডেল হিসেবে দেখতে চাই। প্রতিটি ডেলিভারি এবং প্রতিটি গাড়িকে যেভাবে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথে নজরদারি করা হয়েছে। সে অভিজ্ঞতাটাই আমরা কাজে লাগাতে চাই।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ই-ক্যাবের সদস্য সংখ্যা ১২শ এর বেশি। এদের মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেবা  দেবে। একটি অনলাইন ফার্মেসিসহ আরও ১০টি প্রতিষ্ঠান জরুরি সেবার জন্য প্রস্তুত থাকবে এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু অর্ডারের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দিতে পারবে।

আগামীনিউজ/তরিকুল/এমজামান