"ভারতের বাঁধ ভাঙলে শত পারমাণবিক বোমার চেয়েও ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ দেখবে বাংলাদেশ! 

আগামী নিউজ ঃ সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ০৭:০০ পিএম

"ভারতের বাঁধ ভাঙলে শত পারমাণবিক বোমার চেয়েও ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ দেখবে বাংলাদেশ! 

আগামী  নিউজ ঃ নেপালের মতো পরিণতি থেকে বাঁচতে এখনই মাস্টারপ্ল্যানের হুংকার সাবেক বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) ফজলুর রহমানের।

নেপালের সাম্প্রতিক নজিরবিহীন বন্যা ও ভূমিধসের ভয়াবহতার দিকে ইঙ্গিত করে বাংলাদেশের জন্য এক মহাবিপদের আশঙ্কার কথা সামনে এনেছেন সাবেক বিডিআর মহাপরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলুর রহমান। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ না নিলে বাংলাদেশ এক মহাধ্বংসের মুখে পড়তে পারে।
তার বিশ্লেষণে উঠে আসা মূল বিষয়গুলো হলো:
উজানে বাঁধের বিশাল পানির চাপ: বাংলাদেশের উজানে ৫৪টি আন্তর্জাতিক নদীতে ভারত চার হাজারের বেশি বাঁধ নির্মাণ করেছে, যেখানে কোটি কোটি কিউবিক মিটার পানি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
ভূমিকম্প ও বাঁধ ভাঙার ঝুঁকি: হিমালয় অঞ্চলে যদি কখনো ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প হয় কিংবা পুরনো হয়ে যাওয়ার কারণে ভারতের বা চীনের এসব বাঁধ ভেঙে যায়, তবে বিলিয়ন বিলিয়ন ঘনমিটার পানি নিম্নমুখী হয়ে তীব্র বেগে ধেয়ে আসবে।
শত পারমাণবিক বোমার চেয়েও শক্তিশালী আঘাত: সংরক্ষিত এই বিপুল পরিমাণ পানির তোড়ে যে অভিঘাত সৃষ্টি হবে, তা শতটি পারমাণবিক বোমার ধ্বংসযজ্ঞকেও ছাড়িয়ে যাবে।

সর্বগ্রাসী ক্ষতি: এই মহাধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের ঘরবাড়ি, স্থাপনা মুহূর্তের মধ্যে মাটির সাথে মিশে যাবে এবং মানুষ ও গবাদিপশু ভেসে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষিপ্ত হবে। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উত্তরবঙ্গের মানুষ, যেখানে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের মতো অঞ্চলগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে পারে।

করণীয় ও মাস্টারপ্ল্যান:
এমন সম্ভাব্য বিপর্যয় থেকে দেশের মানুষ ও সম্পদ রক্ষায় কালক্ষেপণ না করে এখনই একটি বাস্তবসম্মত মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করার সময় এসেছে। বিশেষ করে তিস্তা চুক্তির ওপর জোরালো ফোকাস দেওয়া এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। কেননা—"সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।" কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই আমাদের এই সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে।
#BreakingNews #Bangladesh