1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

ডিজেল-সারের দাম বাড়ায় কৃষকের মাথায় হাত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২২, ০৮:০৯ পিএম ডিজেল-সারের দাম বাড়ায় কৃষকের মাথায় হাত

জয়পুরহাটঃ বৃষ্টি নির্ভর আমন ধান কিন্তু এ বছর  বৃষ্টি কম হওয়ার কারণে ধান রোপণ করতে  খুব কষ্ট হইছে। তেল, জমি চাষ, বিদ্যুৎ দামে হতাশ ও মাথায় হাত কৃষকের।

জয়পুরহাট সদরের জামালগঞ্জ  ইউনিয়নের গৌড়ীপাড়া গ্রামের কৃষক মো.নূর ইসলাম আমন জমিতে কাজ করতে করতে এসব কথা বলেন।

আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণ মাসের ২৫ দিন অতিবাহিত হলেও আশানরূপ বৃষ্টি না হওয়ায় আমন ধান চাষে বিপাকে পড়ছে জয়পুরহাটের পাঁচ উপজেলার কৃষকরা।

কৃষি পণ্য উৎপাদনে বীজ, সার, কীটনাশক, জালানি তেলসহ চাষের প্রয়োজনীয় খরচ অনেক বেশি হওয়ায় কৃষকরা এমনিতেই হিমশিম খাচ্ছেন। এরই মধ্যে হঠাৎ করে ইউরিয়া সার প্রতিবস্তা ৮শ’ টাকা থেকে বেড়ে ১১শ’ টাকা সরকার নির্ধারিত করায় কিছুটা বিপাকে পড়েছেন এখানকার কৃষকরা।

অন্যদিকে আমন ধান রোপণের জন্য সাধারণত ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টির প্রয়োজন হয়। তবে এবছর সেই পরিমাণ বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকদের সেচ দিয়েই ধান রোপণ করতে হচ্ছে।তাতে করে বাড়তি গুনতে হচ্ছে কৃষকের বিঘাপ্রতি প্রায় ১২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি খরচ হচ্ছে।

মজুদদার ও ব্যবসায়ীরা কিছুটা সংকট দেখিয়ে পূর্বের মজুদ রাখা সার নতুন দামে বিক্রির নানা কৌশলে নিয়েছেন। কেউ দোকান বন্ধ রাখছেন কেউ বা আবার বলছেন দোকানে সার নেই।এমন অভিযোগ করছেন কৃষকরা।

জমিতে সার দেওয়ার সময় কথা হয় ক্ষেতলাল সদর উপজেলার ভান্ডারি গ্রামের কৃষক মোকলেছুর রহমান এর সাথে তিনি বলেন, একদিকে আকাশের পানি নেই,অন্য দিকে সারের দাম বেশি। অনেক কষ্ট করে ৪ বিঘা জমিতে ধানের রোপণ করছি। গতকাল সার নিতে ক্ষেতলালের বাজারে ডিলারের ঘরে গিয়ে সার নিয়ে এসেছি তখন দেখলাম তারা দাম বৃদ্ধি হওয়ার সুযোগে ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা আগের দামের মজুদ করা সার বেশি দামে বিক্রি করছে।তিনি আরও বলেন, আমরা সাধারণ কৃষকরা চাই ভোগান্তি ছাড়ায় সার দেওয়া হোক।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সার বিক্রি করা হচ্ছে।সরকার থেকে সবসময় মনিটরিং করছেন।

নতুনহাট বাজারের ডিলার মেসার্স মুশফিকুর রহমান এর স্বত্বাধিকারী মো. দুলাল হোসেন বলেন, সারের কোন সংকট নেই।পযাপ্ত পরিমান সার আছে প্রতিটা সার ডিলার এর ঘরে।সরকারের বেধে দেওয়া দামেই বিক্রি করছি।তাছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সারের কোনো সংকট নেই, নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।জয়পুরহাটে এ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৭শ’ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের জন্য ৩ মাসে ৮ হাজার ৬৯৫ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার মজুদ আছে।

এসএস

Small Banner