August
  1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

ভুরুঙ্গামারীতে জমতে শুরু করেছে কোরবানির হাট, প্রস্তুত ২২ হাজার পশু

জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২২, ০৯:২৭ এএম ভুরুঙ্গামারীতে জমতে শুরু করেছে কোরবানির হাট, প্রস্তুত ২২ হাজার পশু

কুড়িগ্রামঃ আসন্ন ঈদুল আজহাকে ঘিরে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির হাট। এ উপলক্ষ্যে উপজেলায় প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ২২ হাজার গবাদি পশু। কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় ততই বাড়ছে। পশুরহাটে নানা অব্যবস্থাপনা থাকলেও পশু বিক্রি বেড়েছে।

জানা যায়, প্রতি বছর কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার খামারি ও কৃষকরা গরু, ছাগল ও ভেড়া মোটা-তাজাকরণে ব্যস্ত থাকেন। তাই এ বছরও কোরবানিকে সামনে রেখে দেশি গরু ও ছাগল মোটা-তাজা করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

একাধিক খামারি ও প্রান্তিক কৃষকেরা জানান, গোখাদ‍্যের দাম তুলনামূলক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার পরেও কোরবানির পশুর দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে আছে। এবার মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদ বেশি। বিজিবির কড়া নজরদারিতে ভারতীয় গরু কম আসায় বেশ লাভবান হবেন বলে আশা করছেন তারা।

শনিবার (২ জুলাই ) সকালে উপজেলার একমাত্র পশুরহাট ভূরুঙ্গামারী হাটে দেখা যায়, ভোর থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে পশু নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেছেন পাইকারি বিক্রেতা, খামারি ও গবাদিপশু পালনকারি প্রান্তিক কৃষকগণ। দেশি গরুতে বাজার ভরে গেছে। বিক্রেতারা বড় গরুর দাম হাঁকছেন ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া ৯০ থেকে ১০০ কেজি ওজনের গরুর দাম ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। কুরবানির সম্মেলিত ও একক ক্রেতাসহ উপজেলার বাইরে থেকে বেশ কিছু পাইকারি এসেছেন পশু কিনতে। প্রখর রোদের মধ্যেই হাটে পশু বেচাকেনা হচ্ছে। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে জমে উঠেছে কুরবানির হাট।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় কোরবানির পশুর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ২১ হাজার ৪৩০টি। তবে খামারি ও প্রান্তিক কৃষক মিলে প্রায় ২১ হাজার ৬০৩টি গবাদিপশু প্রস্তুত করেছেন। এর মধ্যে ১৬০ টি বলদ, ৬ হাজার ৯২৭টি ষাঁড়, ৩ হাজার ১৭০টি গাভী, ৮ হাজার ৭৫১টি ছাগল ও ২ হাজার ৫৯৫টি ভেড়া রয়েছে। এতে চাহিদা মিটিয়ে ১৭৩টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোছাঃ শামীমা আক্তার বলেন, ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় ২১ হাজার ৬০৩টি পশু মজুত রয়েছে। কুরবানীর পশুর হাটে আমাদের মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। তারা অসুস্থ পশু চিহ্নিত করা, বাজারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া পশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা, গর্ভ পরীক্ষা, লিফলেট বিতরণসহ গবাদি পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের নানা পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করছেন।

শাহীন আহমেদ/এমবুইউ

Small Banner