1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারবে তো বাংলাদেশ?

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: আগস্ট ১০, ২০২২, ১১:৩৭ এএম হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারবে তো বাংলাদেশ?

ঢাকাঃ টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দুটো একপাশে রাখলে সম্প্রতি ওয়ানডেতে সাফল্যের গল্পটা বেশ বড় বাংলাদেশ দলের। জিম্বাবুয়ে সফরের আগে শেষ ৫ সিরিজের ৫টিই জয়, ৭টি সিরিজে জয় ৬টি। আইসিসি সুপার লিগের পয়েন্ট তালিকায়ও দাপট তামিম ইকবালদের দলের। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে টাইগাররা। অথচ উড়তে থাকা এই বাংলাদেশ দলই কি-না হোঁচট খেল জিম্বাবুয়ের কাছে।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে দাপট দেখিয়ে জিতে ট্রফি নিজেদের দখলে রেখেছে স্বাগতিকরা। এতে প্রায় ৯ বছর পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। সিরিজের শেষ ম্যাচটি তাই হয়ে পড়েছে নিয়মরক্ষার। যা মাঠে গড়াবে আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯.১৫টায়, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১.১৫টায়। হারারে থেকে ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।

প্রত্যাশা ছিল জিম্বাবুয়ে সফরে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজ অনায়াসেই জিতবে বাংলাদেশ। বাস্তবে প্রকট হয়ে ধরা দিলো প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ব্যবধানটা। ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর এখন ওয়ানডে সিরিজে হোয়াটওয়াশ হওয়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ! বুধবার ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ জিততে পারলে অন্তত কিছুটা হলেও লজ্জার হাত থেকে বাঁচার সহায় খুঁজে পাওয়া যাবে। নাহলে ১২ বছর পর হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় পুড়বে সফরকারীরা।

সার্বিক পরিস্থিতি যে এভাবে টার্ন করবে তা বোধহয় কেউ ভাবতেও পারেনি। ওয়ানডেতে টানা ১৯ ম্যাচ জয়ের সুখস্মৃতি থাকায় এমন নেতিবাচক ভাবনা মাথায় আসারও কথা নয়। কিন্তু দায়িত্বহীন ব্যাটিং এবং বাজে ফিল্ডিংয়ে সেই ভাগ্যই বরণ করতে হয়েছে ৯ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ পরাজয়ে। ২০১৩ সালের মে মাসে বাংলাদেশকে সর্বশেষ সিরিজে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। এবার তো হোয়াইটওয়াশ চোখ রাঙাচ্ছে। ২০০১ সালের নভেম্বরে শেষবার তারা বাংলাদেশকে ওয়ানডে সিরিজের সবগুলো ম্যাচে হারিয়েছিল। লম্বা সময় পর সেই একই দুর্দশা কি আবার তাদের দেখতে হচ্ছে?

বাংলাদেশ অবশ্য শেষ ম্যাচটি জিততে মরিয়া। অন্তত বোলিং কোচ অ্যালান ডোনান্ডের কথাতে সেটি স্পষ্ট। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘কঠিন শিক্ষা পাওয়ার পর যেমন হয়, দলের অবস্থা তেমনই। আমরা অনেক সুযোগ হাতছাড়া করেছি। কিছু ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিছু বাজে সিদ্ধান্তও। আজ (মঙ্গলবার) সকালে আমরা এ নিয়ে কথা বলেছি। আমরা এই দলের ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য নিয়ে কথা বলেছি। সিরিজ হেরেছি, কিন্তু আত্মবিশ্বাস পাওয়ার জন্য জিততে হবে।’

বেশি দিন আগের কথা নয়। দক্ষিণ আফ্রিকার কঠিন কন্ডিশনেও ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। হারারেতে প্রায় একই কন্ডিশনে জিততে না পারায় ডোনাল্ডের কণ্ঠে তাই আফসোস, ‘একদম একই কন্ডিশনে খেলা। কিন্তু আমরা এটা নিয়ে কথা বলেছি। কী ক্ল্যাসি একটা দল ছিলাম দক্ষিণ আফ্রিকায়, ঠিক এমন কন্ডিশনে। সেখানে আমরা কীভাবে বল করেছি, মাঝের ওভারে কীভাবে সেখানে উইকেট নিয়েছি। এখানে নতুন বলে ভালো করছি। কিন্তু মাঝের ওভারে, যেখানে উইকেট নেওয়ার আরও সুযোগ ছিল, তখন কোনও উত্তর খুঁজে বের করতে পারিনি।’

বাংলাদেশের পরিকল্পনার ঘাটতি দেখলেও জিম্বাবুয়েকে কৃতিত্ব দিতে ভুল করলেন না ডোনাল্ড, ‘জিম্বাবুয়ে খুব ভালো খেলেছে। রাজা অবিশ্বাস্য ক্রিকেট খেলেছে। চাকাভা দেখিয়েছে তার সামর্থ্য। ওরা আমাদের চাপে ফেলেছে। আমাদের কাছে এর কোনও উত্তর ছিল না। এটা ড্রেসিংরুমে বসে দেখা কঠিন। কারণ, আপনি কিছু করতে পারবেন না। সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ক্রিকেটারদের কাজ।’

এখন ড্রেসিং রুমে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে শেষ ম্যাচটা তামিমদের জেতা জরুরি।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে নিজেদের ১০০তম ওয়ানডেতে ভারতকে ১৫ রানের ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। পাঁচ বছর পর ২০০তম ওয়ানডে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় ৩ উইকেটের ব্যবধানে। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ৩০০তম ওয়ানডেতে ভারতের কাছে পরাজয় ছিল ১০৯ রানে। আজ ৪০০তম ম্যাচে কী হয় সেটিই দেখার।

এমবুইউ

Small Banner