1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

মশার উৎপাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রীও

নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৫, ২০২২, ০৯:১৩ পিএম মশার উৎপাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রীও

ঢাকাঃ ঢাকায় মশা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাজ হচ্ছে না। মশার কামড়ে অতিষ্ঠ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও। বারিধারা কূটনৈতিক এলাকায় বাস কথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, রাজধানীর এই অভিজাত এলাকায় থেকেও মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না তিনি।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন নেপাল এবং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মশার উপদ্রব নিয়ে কথা বলেন জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বারিধারায় থাকি, এখানেও অনেক মশা। আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। নিজের বাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে।’

মশা কমাতে আরও নজরদারির আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামে কিন্তু এত মশা নেই, ঢাকা শহরে এটা বেশি। তাই ঢাকা শহর অন্যান্য সিটি করপোরেশনগুলোতে যদি বেশি নজরদারি করা হয় তাহলে হয়তো আগামীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কমবে। স্প্রে যে পরিমাণ দরকার ছিল সে পরিমাণ দেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু তারা যথেষ্ট চেষ্টা করেছে, সেজন্যই ডেঙ্গু কমে এসেছে। আশা করি, সামনে ভালো ওষুধ যথা সময়ে দেওয়া হবে।’ 

ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘স্প্রে যথেষ্ট করার পরও যখন মশা এত বাড়ে তখন অনেক সময় মনে হয় এই ওষুধটা মশার জন্য কার্যকর হয়নি। মানুষের শরীরে যেভাবে অ্যান্টিবডি ডেভেলপ করেছে, মশারও তেমন অ্যান্টিবডি ডেভেলপ করেছে।’ 

অসচেতনতার কারণে অনেকে দেরি করে হাসপাতালে যাওয়ার কারণ পরিস্থিতি জটিল হয়েছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেখা যাচ্ছে রোগী যখন ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে তখন অনেকে মনে করছেন সর্দি জ্বর হয়েছে। সেটা ভেবে অনেকে দেরিতে চিকিৎসা নিতে আসছে। ততক্ষণে রোগ জটিল হয়ে যাচ্ছে। হেমোরেজিক একটা ভাইরাস আছে ডেঙ্গুর যা ইন্টারনাল ব্লিডিং ঘটায়। সেটি শুরু হলে রোগীকে বাঁচানো কঠিন হয়ে যায়। দেরি করে আসার কারণে অনেক রোগী মারা গেছে।’ 

এসএস

Small Banner