August
  1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৭

উপজেলা প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রকাশিত: জুন ২, ২০২২, ০৭:৪৫ পিএম জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৭

বাগেরহাটঃ শরণখোলায় জমির সীমানা নিয়ে বিরোধে দুই প্রবাসী বিএনপি নেতার পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ সাতজন আহত হয়েছে। আহতদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তী করা হয়েছে। বুধবার (১জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

জানাগেছে, সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল আল হাছা প্রাদেশিক কেন্দ্রিয় বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক জামাল নুর এবং শরনখোলা উপজেলা বিএনপি’র সহ সাধারণ সম্পাদক মানিক হাওলাদারের সাথে রায়েন্দা বাজারের বাড়ির সীমানার জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে গত ২১ মার্চ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হয়। এর মধ্যে জামাল নুরের সাত জন এবং মানিক হাওলাদারের চারজন আহত হয়। ওই সময়ে শরণখোলা থানায় উভয় পক্ষের পরস্পর বিরোধী মামলা রয়েছে।

এ ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতে আবারো সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তারা। সংঘর্ষে মানিক হাওলাদারের ভাই আবু হানিফ হাওলাদার (৪৫), মোঃ হাসান ফরাজী (৪০), আসলাম হাওলাদার (৩৫) এবং জামাল নুরের ভাইয়ের স্ত্রী নাসিমা বেগম (৪০), ইলিয়াস (৩৫), ওমর হাওলাদার (১৮) ও ইমন হাওলাদার (২২) আহত হন। তবে বিরোধের সময় বাড়ির দুই মালিক জামাল নূর ও মানিক হাওলাদার সৌদি আরবে রয়েছেন।  

এব্যপারে মানিকের ভাই জকির হাওলাদার বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় আমার ভাইসহ আমাদের চারজন আহত হয়েছে। আমার ভাই আবু হানিফের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তী করা হয়েছে। জামাল নূরের ভাই সালাম হাওলাদার বলেন, মারামারির সময় আমি খুলনায় অবস্থান করছিলাম। মানিক হাওলাদারের লোকজন হামলা চালিয়ে আমার ভাইয়ের স্ত্রী ও ছেলেসহ চারজনকে আহত করে। আহতদের শরনখোলায় চিকিৎসা নিতে বাঁধা দেওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তী করা হয়েছে। এর আগেও তারা আমার ভাইদের মেরে আহত করেছিল। 

শরনখোলা থানার অফিসার ইন চার্জ মোঃ ইকরাম হোসেন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। এব্যপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এসএস

Small Banner