1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

৪ বছরের মেয়েকে হত্যার পর থানায় হাজির মা

জেলা প্রতিনিধি, জয়পুরহাট প্রকাশিত: অক্টোবর ২৭, ২০২২, ০১:৩৫ পিএম ৪ বছরের মেয়েকে হত্যার পর থানায় হাজির মা

জয়পুরহাটঃ চার বছরের মেয়েকে মুঠোফোনের চার্জারের তার গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন এক মা। জয়পুরহাট জেলা শহরের বারিধারা মহল্লার বিনীত ভবনের তৃতীয় তলার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক কলহে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা পুলিশের।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় ঘাতক মা মৌমিতা পাল (৩০) থানায় গিয়ে আত্মসর্মপণ করেন।

নিহত শিশুটির নাম কনিনিকা পাল হিয়া। ঘাতক মৌমিতা পাল সোনালী ব্যাংক জয়পুরহাটের পাঁচবিবি শাখার সিনিয়র অফিসার (ক্যাশ) নয়ন চন্দ্র পালের স্ত্রী। তিনি বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আমড়া গোহাইল গ্রামের বাসিন্দা। তারা বারিধারার ওই ভবনে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন।

জানা গেছে, নয়ন কুমার পাল জয়পুরহাট শহরে ২০১১ সালে সোনালী ব্যাংকে ক্যাশ ইনচার্জ পদে যোগদান করেন। এরপর নয়ন তার স্ত্রী মৌমিতা পাল তার সাড়ে চার বছরের কন্যা সন্তান রিয়াকে নিয়ে শহরের বারিধারা মহল্লায় অ্যাডভোকেট সন্দিপের বাসায় তিন তলায় একটি ফ্লাটে বসবাস করতেন। বর্তমানে তিনি পাঁচবিবি উপজেলাতে সোনালী ব্যাংকে কর্মরত।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে নিহত শিশুটির বাবা তার কর্মস্থলে গিয়ে তার সন্তানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। এর কিছু পরেই থানা থেকে ফোন পান তার সন্তানকে তার স্ত্রী গলায় চার্জারের তার দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যা করে।

নিহত শিশুর বাবা নয়ন কুমার বলেন, তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক সমস্যা ছিল। সকালে ব্যাংকে গিয়ে সন্তানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। এর কিছু পরই থানা থেকে ফোন পান তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে। এর সঠিক তদন্ত চান তিনি।

এ বিষয়ে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, কন্যা শিশুটিকে চার্জারের তার দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যার পরই তার মা থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে। এ সময় হত্যার বিবরণ দিয়েছেন। মূলত পারিবারিক কলোহে তার সন্তানকে হত্যা করেছেন তিনি। হত্যার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছেন। মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এমএম

Small Banner