August
  1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

টেকনাফ-উখিয়ার পশুর হাটে রোহিঙ্গা ক্রেতার দাপট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২২, ০১:৪৯ পিএম টেকনাফ-উখিয়ার পশুর হাটে রোহিঙ্গা ক্রেতার দাপট

কক্সবাজারঃ জেলার টেকনাফ-উখিয়ার কোরবানির পশুর হাটে রোহিঙ্গা ক্রেতার দাপট দেখা যাচ্ছে। তারাই বেশিরভাগ পশু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কাছে পশু বিক্রিতে লাভ বেশি বলে ক্যাম্পের আশপাশে বসছে পশুর হাট। ফলে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষরা কোরবানির পশু সংকটে পড়তে পারে।

শনিবার উখিয়ার দারোগা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে শত শত গরু বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্রেতাই রোহিঙ্গা। আব্দুল করিম নামে এক বিক্রেতা জানিয়েছেন, তিনি উখিয়ার টাইপালং এলাকা থেকে একটি গরু নিয়ে এসেছিলেন। সেটি এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে লম্বাশিয়া ক্যাম্পের এক রোহিঙ্গার কাছে বিক্রি হয়েছে।

ছগির আহম্মদ নামে আরেক বিক্রেতা জানিয়েছেন, ঘরের দুটি গরু হাটে এনেছিলেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কয়েকজন দুই লাখ পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে দুটিই কিনে নিয়ে গেছেন।

উখিয়ার দারোগা বাজার হাটের ইজারাদার জানিয়েছেন, হাটে পশু বেচা-বিক্রি জমে উঠেছে। ক্রেতাদের কে বাংলাদেশি আর কে রোহিঙ্গা, তা বোঝা মুশকিল।

উখিয়ার মরিচ্যাবাজারের পশুর হাটেও গত বুধবার কোরবানির জন্য প্রচুর গরু-মহিষ বিক্রি হয়েছে। অধিকাংশ গরু রোহিঙ্গারা কিনে নিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে।

কোরবানিকে সামনে রেখে উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী ও থাইংখালীতে কয়েকটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানো হয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা রোহিঙ্গাদের কাছে গরু বিক্রির জন্য এসব হাট বসিয়েছেন।

অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়ার সভাপতি শরিফ আজাদ বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের লোকজন মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে বিক্রি করে অনেক টাকার মালিক হয়ে গেছে। তাই তারা নিজেদের টাকায় কোরবানি দিতে শুরু করেছে। রোহিঙ্গারা এখন আর কোরবানির ত্রাণের মাংসের জন্য বসে থাকে না।

উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গারা ব্যক্তিগতভাবে কোরবানি দেওয়ার জন্য যেভাবে বাজার থেকে গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে করে এখানের স্থানীয়দের মধ্যে কোরবানির গরুর সংকট সৃষ্টি হবে।

ফালংখালী ইউনিয়ন পরিষদেন চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কয়েকজন প্রভাবশালী রোহিঙ্গাদের মধ্যে গরু বিক্রির জন্য থাইংখালী ও বালুখালী ক্যাম্পের পাশে অস্থায়ী হাট বসিয়েছেন। হাটগুলোর কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। হাট থেকে ইজারার নামে চাঁদাবাজি করছেন প্রভাবশালীরা।

এমবুইউ

Small Banner