1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

মুক্তিপণ নিতে এসে গ্রেপ্তার তিন অপহরণকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৩, ০২:৩৫ পিএম মুক্তিপণ নিতে এসে গ্রেপ্তার তিন অপহরণকারী

রাজশাহীঃ এক ব্যক্তিকে অপহরণের পর মুক্তিপণ নিতে এসে একটি প্রাইভেট কারসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন তিন অপহরণকারী।

গ্রেপ্তাররা হলেন— বাগেরহাটের চিতলমারী থানার কুড়ালতলা গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান (২৫), খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার কমিশনার গলি নবপল্লীর মৃত সাহেব আলীর ছেলে জাহিদ হাসান (৩৫) ও ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানার মিরপুরের দুয়ারীপাড়ার মৃত নাসিরুদ্দীন মন্ডলের ছেলে মনোয়ার হোসেন (৬০)।

সোমবার রাতে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রামপুরা থানা পুলিশের সহায়তায় অপহৃত ভিকটিম মাসুদকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) নগরীর বোয়ালিয়া থানার সাগরপাড়া এলাকার মাসুদ আলী নামের এক ব্যক্তি জমিজমা সংক্রান্ত কাজে ঢাকায় যান। তিনি গত ৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগতে রাতে তার ছেলেকে মোবাইল ফোনে জানান, এক ব্যক্তিকে আলমারির চাবিসহ পাঠাচ্ছি, তাকে যেন চেক বই দিয়ে দেয়। তার ছেলে মিনহাজ এর কারণ জানতে চাইলে কোনো কথা না বলে কল রেখে দেন তিনি। বিষয়টি মাসুদের ছেলের সন্দেহ হলে পরিবার ও পরে পুলিশকে জানানো হয়।

পরে রাত আড়াইটার দিকে গ্রেপ্তার তিন আসামি একটি প্রাইভেটকার নিয়ে মাসুদের বাড়ির সামনে এসে তার ছেলেকে কল করে জানান চেক বই নিতে এসেছেন তারা। বিষয়টি বোয়ালিয়া থানাকে জানালে পুলিশ নগরীর সাগরপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আসামি মেহেদী হাসান, জাহিদ হাসান ও মনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করে পুলিশ।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেন জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা জানায়, তারা সহযোগীদের সহযোগিতায় মাসুদকে ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে অপহরণ করে অজ্ঞাত বাড়িতে আটক করে রেখেছে। ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ পেলে মাসুদকে ছেড়ে দিত তারা। টাকা না দিলে মাসুদকে প্রাণে মেরে ফেলার কথাও জানায়। আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা দীর্ঘদিন ধরে নিরীহ মানুষকে আটক রেখে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বুইউ

আগামী নিউজ এর সংবাদ সবার আগে পেতে Follow Or Like করুন আগামী নিউজ এর ফেইসবুক পেজ এ , আগামী নিউজ এর টুইটার এবং সাবস্ক্রাইব করুন আগামী নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে
Small Banner