1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলে চাকরি হবেনা

নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২১, ০৯:৫৫ এএম ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলে চাকরি হবেনা
ফাইল ছবি

ঢাকাঃ মাদকসেবন বন্ধ না করলে বেকারত্বের অভিশাপ বইতে হবে আজীবন। এমনই বিধান রাখা হয়েছে ডোপ টেস্ট বিধিমালা ২০২১ এ। মাদকাসক্তদের জন্য চাকরির দরজা বন্ধ রেখে চূড়ান্ত করা হচ্ছে এই বিধিমালা। এমনকি ডোপ টেস্টে রিপোর্ট পজিটিভ এলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জেল-জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে।

প্রসঙ্গত, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ (সংশোধিত ২০২০) এর আলোকে এই বিধিমালা প্রণীত হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ডোপ টেস্ট বিধিমালা সংক্রান্ত খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন এটি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের রয়েছে। এরপর প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পর গেজেট আকারে বিধিমালা প্রকাশিত হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট করা হবে। এছাড়া চাকরিরত অবস্থায় কেউ মাদক সেবন করেছেন বলে সন্দেহ হলেও তাকে টেস্টের আওতায় আনা যাবে।

খসড়া বিধিমালায় ডোপ টেস্ট রিপোর্টের নেগেটিভ এবং পজিটিভের সংজ্ঞা, নমুনা সংগ্রহ পদ্ধতি, নমুনার ধরন, ল্যাবরেটরি এবং জনবল সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশদ আকারে ব্যাখ্যা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই অধিদফতরের নিজস্ব পরীক্ষাগারে ডোপ টেস্ট করাতে পারবেন বলে জানা গেছে।

চাকরি ছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের ক্ষেত্রে, কর্মরত অবস্থায় গাড়ি চালকদের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের সন্দেহ এবং সরকারি-বেসরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কারও বিরুদ্ধে মাদক গ্রহণের সন্দেহ হলে ডোপ টেস্ট করা যাবে। বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের ক্ষেত্রে এবং আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের ক্ষেত্রেও ডোপ টেস্ট হতে পারে। তবে এর বাইরেও সরকার নির্বাহী আদেশে ডোপ টেস্টের নতুন ক্ষেত্র নির্ধারণ করতে পারবে।

প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী ডোপ টেস্টের প্রয়োজন দেখা দিলে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। এরপর জৈব নমুনা হিসাবে মূত্র, রক্ত, ঘাম, নখ, প্রশ্বাসের বাতাস, মুখের লালা এবং মানব দেহের যে কোনো অঙ্গ বা অংশবিশেষ বা দেহ তরল সংগ্রহ করা হবে। টেস্টের কাজে ব্যবহারের পর নমুনার অবশিষ্টাংশ অন্তত ছয় মাস সংরক্ষণ করতে হবে।

ডোপ টেস্টসংক্রান্ত ফি নির্ধারণ করবে সরকার। এক্ষেত্রে টেকনিক্যাল কমিটি সুপারিশ করবে।

এমনকি মদ পানে অভ্যস্ত ব্যক্তিদেরও আসক্তি ধরা পড়বে ডোপ টেস্টে। ডোপ টেস্ট সংক্রান্ত আবেদনে নমুনা প্রদানকারীকে নাম, পিতার নামসহ ১৯ ধরনের তথ্য দিতে হবে। খসড়া প্রস্তাবনায় ডোপ টেস্ট বিষয়ে নয় সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি রাখার কথা বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত কমিটির প্রধান হবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আগামীনিউজ/জনী

আগামী নিউজ এর সংবাদ সবার আগে পেতে Follow Or Like করুন আগামী নিউজ এর ফেইসবুক পেজ এ , আগামী নিউজ এর টুইটার এবং সাবস্ক্রাইব করুন আগামী নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে
Small Banner