1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. সারাবাংলা
  4. রাজনীতি
  5. রাজধানী
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আদালত
  8. খেলা
  9. বিনোদন
  10. লাইফস্টাইল
  11. শিক্ষা
  12. স্বাস্থ্য
  13. তথ্য-প্রযুক্তি
  14. চাকরির খবর
  15. ভাবনা ও বিশ্লেষণ
  16. সাহিত্য
  17. মিডিয়া
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. ফটো গ্যালারি
  20. ভিডিও গ্যালারি

যা ইচ্ছা তাই করবেন মেনে নেওয়া যায় না: হাইকোর্ট

আদালত ডেস্ক প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২২, ০৩:৪০ পিএম যা ইচ্ছা তাই করবেন মেনে নেওয়া যায় না: হাইকোর্ট

ঢাকাঃ রাজশাহীর পুঠিয়ার শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে পিবিআইয়ের কর্মকর্তা মো. শামীম আক্তারের ব্যাখ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। এসময় আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে বলেন, আপনারা (তদন্ত কর্মকর্তা) যা ইচ্ছা তাই করবেন সেটা মেনে নেওয়া যায় না।

এর আগে তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ইন্সপেক্টর শামীম আক্তারকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট।

নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাখ্যা দিতে আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হাইকোর্ট তার ব্যাখ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে আদালত আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তাকে পুনরায় লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেন।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. সেলিমের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত না করার বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। ব্যাখ্যা দিতে হাইকোর্টে হাজির হন রাজশাহীর পুঠিয়ার শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের মো. শামীম আক্তার।

পুঠিয়ার সড়ক ও পরিবহন মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন নুরুল ইসলাম। নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে ২০১৯ সালের ১০ জুন তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে নিগার সুলতানা আট জনের নাম উল্লেখ করে পুঠিয়া থানায় এজাহার দাখিল করেন। কিন্তু সেই এজাহারটি লিপিবদ্ধ না করে ওই থানার তৎকালীন ওসি সাকিল উদ্দিন আহমেদ ছিড়ে ফেলেন। পরে সাদা কাগজে বাদীর সই রেখে নিজেরাই একটা এজাহার সৃজন করে তা থানায় লিপিবদ্ধ করেন। যা পরে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত বিচারিক অনুসন্ধান কমিটির তদন্তে বেরিয়ে আসে। একইসঙ্গে ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন্সকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।

রায়ে হাইকোর্ট বলেন, আদালত প্রত্যাশা করে যে পিবিআই প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার মামলাটি তদন্ত তদারকিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন। বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা/সংস্থাকে অবিলম্বে কেস ডকেট পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হলো। পিবিআইকে তদন্তকালে সংবাদদাতার মূল এজাহারের বর্ণনা, রাজশাহীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান রিপোর্ট ও অনুসন্ধান কার্যক্রমে সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিবেচনায় গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। কিন্তু হাইকোর্টের এই নির্দেশনা না মেনেই তদন্ত সম্পন্ন করেন তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের শামীম আক্তার। এই মামলার আসামি আবুল কালাম ওরফে আবু জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। ওই জামিন আবেদনের শুনানিকালে হাইকোর্ট নির্দেশনা না মেনে তদন্ত করার বিষয়টি দেখতে পান। এরপরই তদন্ত কর্মকর্তাকে তলবের পাশাপাশি এ বিষয়ে তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

রোববার হাইকোর্টে দাখিল করা ব্যাখ্যায় শামীম আক্তার বলেন, মামলার বাদীর কাছে প্রথমে এজাহার চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু উনি তা দেননি। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেই তদন্ত সম্পন্ন করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

কিন্তু তার এ ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি হাইকোর্ট। পুনরায় ব্যাখ্যা দাখিল করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকেও অব্যাহতি দেননি আদালত। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবু ইয়াহিয়া দুলাল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিজানুর রহমান এবং তদন্ত কর্মকর্তার পক্ষে মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

আগামীনিউজ/বুরহান 

আগামী নিউজ এর সংবাদ সবার আগে পেতে Follow Or Like করুন আগামী নিউজ এর ফেইসবুক পেজ এ , আগামী নিউজ এর টুইটার এবং সাবস্ক্রাইব করুন আগামী নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে
Small Banner