Agaminews
Dr. Neem Hakim
Dr. Neem Hakim

মহাশোল বাণিজিক চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা


আগামী নিউজ | তরিকুল ইসলাম সুমন প্রকাশিত: জুন ৩০, ২০২০, ০৩:৩১ পিএম
মহাশোল বাণিজিক চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে বিপন্ন প্রায় ৬৪ প্রজাতি মাছের মধ্যে একটি হলো মহাশোল। এটি দেখতে মৃগেল মাছের মতো হলেও এই উপমহাদেশে‘স্পোর্টস ফিশ’হিসেবে পরিচিত। যা অন্য কার্প মাছ থেকে বেশি দামে বিক্রি হয়। তবে আশার কথা হলো এ মাছ নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছে ময়মনসিংহ মৎস্য ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)।

বিএফআরআই সূত্র জানায়, এ মাছের জন্ম ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাদদেশে নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী সোমেশ্বরী এবং কংস নদীতে। কয়েকদশক আগেও বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল ময়মনসিংহ, সিলেট, দিনাজপুর এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের খরস্রোতা নদী, ঝরনা ও লেকে পাওয়া যেত এই মাছ। নদীর পাথর-নুড়ির ফাঁকে ফাঁকে পেরিফাইটন নামের শ্যাওলাই মহাশোলের প্রধান খাবার। কার্পজাতীয় অন্যান্য মাছের তুলনায় এর ডিম ধারণ ক্ষমতা কম হওয়াকেই বিলুপ্তির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন মৎস্য বিজ্ঞানীরা।

বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ আগামীনিউজকে জানান, বাংলাদেশে মহাশোলের বিলুপ্তির কারণে বিএফআরআই নেপাল থেকে এ মাছের পোনা আমদানি করেছিল আশির দশকে। পরে পুকুরে পোনা ছেড়ে প্রজনন কৌশল ও জিনপুল সংরক্ষণ করা হয়। সম্প্রতি বিএফআরআই থেকে এ মাছের পোনা উৎপাদনসহ চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবন করা হয়। উৎপাদিত মহাশোলের পোনা এরই মধ্যে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেক, সোমেশ্বরী নদী এবং কংস নদে অবমুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ময়মনসিংহ এবং তার আশেপাশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও ভোলা, ফেনী, খুলনা এবং সিলেট অঞ্চলে এ মাছের চাষ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, মহাশোল বাণিজ্যিকভাবে চাষের ব্যপক সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পোনা অবমুক্তকরণের দিকে আমরা বেশি জোর দিচ্ছি। মাছটি ব্যাপক পরিমাণে খাদ্যগ্রহণ করলেও দ্রুত বর্ধনশীলতা আর ডিম ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আমরা গবেষণা করছি।

আগামীনিউজ/টিআইএস/জেএস/এম জামান

Dr. Neem