Agaminews
Dr. Neem Hakim

জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে ভোলার নিম্নাঞ্চল 


আগামী নিউজ | ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ২০, ২০২০, ০১:৩৬ পিএম
জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে ভোলার নিম্নাঞ্চল 

ছবি সংগৃহীত

ভোলা: সুপার সাইক্লোন আম্ফান অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। এজন্য মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। এছাড়া, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজারে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে।

এদিকে, মেঘনা, তেঁতুলিয়া ও বঙ্গপসাগর বেষ্টিত দ্বীপ জেলায় বুধবার ভোর রাত থেকেই ঝড়ো বাতাস বইছে। আম্ফানের প্রভাবে উত্তাল মেঘনা ও তেতুলিয় নদী। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে থেমে থেমে ধমকা হাওয়া ও মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে ৩/৪ ফুট উচ্চতায় নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোলার চরফ্যাশনের বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন ঢালচরের পুরো এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে মানুষের ঘর ভিটা, রাস্তাঘাট।

ঢাল চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম জানান, সকাল থেকে এই ইউনিয়নে ঝড়ো বাতাস বৃষ্টি হচ্ছে। নদীর পানি বেড়ে গেছে ৩/৪ ফুট উচ্চতায়। এতে করে পুরো ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে ইউনিয়নের সকল রাস্তা ঘাট। 

তিনি আরো জানান, ইউনিয়নটিতে ১৩ হাজারের মতো লোক সংখ্যা রয়েছে। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে গতকাল ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হলেও সেখানে এখনো প্রায় ৭/৮ হাজার মানুষ থাকায় তারা আজ পানি বন্ধী হয়ে পড়েছে। অনেকে সেখানকার কোস্ট ট্রাস্ট অফিস ও পুলিশ ফাঁড়ির ভবনে আশ্রয় নিচ্ছে।

অন্যদিকে, পাশের ইউনিয়নের কুকরী-মুকরীও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে বিভিন্ন এলাকা। সেখানকার চেয়ারম্যান আবুল হাশেম মহাজন জানান, আজ সকাল থেকে তার ইউনিয়নের চর পাতিলায় এলাকায় ৪/৫ ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার লোক পানি বন্ধী হয়ে পড়েছে।

আগামীনিউজ/মিজান 

Dr. Neem